সবেমাত্র জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এখন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পালা। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দায়িত্ব নেয়ার পরপরই ঘোষণা দিয়েছেন, যত শিগগিরই সম্ভব স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন হবে। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম অবশ্য বলেছেন, প্রতীকের বিষয়টি সংসদে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না। আইন আকারে পাস হওয়ার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করা হবে। গত ৩ মার্চ সিলেট সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় ও সিলেট সার্কিট হাউজে প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। একটি জাতীয় সরকারের জন্য যথার্থ সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার তথা স্থানীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নবগঠিত সরকার সঙ্গতভাবেই তাদের প্রশাসনের ধারাবাহিকতা ও সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় নেতৃত্বের উপর নির্ভর করবেন।
স্থানীয় সরকার হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা, যেখানে দেশের নির্দিষ্ট কোনো অঞ্চল যেমন— জেলা, উপজেলা, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশন-নিজেদের স্থানীয় সমস্যা ও উন্নয়নমূলক কাজ পরিচালনা করার জন্য আইনগত ক্ষমতা পায়। সহজভাবে বললে, কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে থাকলেও স্থানীয় জনগণের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে এলাকার প্রশাসন ও উন্নয়ন পরিচালনাই হলো স্থানীয় সরকার। বাংলাদেশে স্থানীয় সরকারব্যবস্থার প্রধান কাঠামোগুলো হলো— ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন। স্থানীয় সরকারের কাজ হচ্ছে রাস্তা-ঘাট নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, স্থানীয় কর আদায় ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন। স্থানীয় সরকার জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়ে থাকেন। নির্দিষ্ট এলাকার প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন এবং স্থানীয় উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কাজ পরিচালনা করেন।
বাংলাদেশের সংবিধানে স্থানীয় সরকার সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। সংবিধানের ৫৯ ও ৬০ অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকারের ভিত্তি নির্ধারণ করা হয়েছে। সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে— স্থানীয় শাসনের জন্য প্রশাসনিক ইউনিটে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। এই স্থানীয় সরকারে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা দায়িত্ব পালন করবেন। অর্থাৎ— জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসন পরিচালিত হবে। অপরদিকে সংবিধানের ৬০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে : স্থানীয় সরকারকে আইন অনুযায়ী ক্ষমতা দেয়া যাবে— কর আরোপ ও আদায় করার, বাজেট প্রণয়ন করার এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করার। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, সংবিধান স্থানীয় সরকারকে একটি স্বীকৃত ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে, যাতে জনগণ সরাসরি স্থানীয় উন্নয়ন ও প্রশাসনে অংশ নিতে পারে।
ব্রিটিশ আমল থেকে এ পর্যন্ত অনেক চড়াই-উতরাই অতিক্রম করে স্থানীয় সরকারব্যবস্থা এই অবস্থান অর্জন করেছে। বরাবরই নির্বাচনটি অরাজনৈতিকভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে। আওয়ামী স্বেচ্ছাচারী সরকার সবকিছু নিকৃষ্টভাবে দলীয়করণের পর ইউনিয়ন কাউন্সিল থেকে সবগুলো স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে দলীয়করণ করে। এর মাধ্যমে তারা আওয়ামী লীগকে তৃণমূলে পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করে। তাদের এই চেষ্টা ভালো ফলাফল না দিয়ে গ্রামীণ রাজনীতিতে আরো ঝগড়া-বিবাদ, মামলা-মোকদ্দমা, সহিংসতা, চাঁদাবাজি ও দখলবাজির অভয়ারণ্য বানিয়ে নেয়। ফলে ব্যক্তিগতভাবে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীরা হামলা-মামলার শিকার হন।
কোনো কোনো ক্ষেত্রে তারা দীর্ঘ সময়ে বাড়ি থেকে বাইরে থাকতে বাধ্য হয়। ২০১৫ সালে স্থানীয় সরকারের আইন সংশোধন করে চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রতীকে প্রার্থী দেয়ার বিধান যুক্ত করা হয়। ২০১৭ সালে প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকারের এই নির্বাচন হয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তরফ থেকে বারবার বলা হয়েছে, দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে না। এক পর্যায়ে বিএনপি বাদে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে তোড়জোড় শুরু করলে এ কথা বলা হয়। তবে বিএনপি এর বিরোধিতার মুখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে আর অগ্রসর হয়নি। তবে তারা একটি স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন গঠন করে। সেই কমিশন অনেক সুপারিশ পেশ করলেও চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত জাতীয় সনদে একটি দফাও সংযোজিত হয়নি।
স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের প্রধান ছিলেন প্রফেসর তোফায়েল আহমেদ। তিনি এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ছিলেন। সুপারিশ পেশের পরপরই তিনি ইন্তেকাল করেন। ফলে বিষয়টি নিয়ে বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি হয়নি। কমিশন যে সুপারিশমালা প্রণয়ন করেছিল তা ওই সময়ে বেশ আলোচিত হয়। সুপারিশে বলা হয়েছে— প্রতিটি স্থানীয় সরকার সংস্থায় শুধু সদস্য বা কাউন্সিলররা জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন। এরপর নির্বাচিত কাউন্সিলর ও সদস্যরা তাদের মধ্য থেকে একজনকে ভোট দিয়ে মেয়র বা চেয়ারম্যান নির্বাচিত করবেন।
স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কোনো নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের প্রতীক ব্যবহার না করার সুপারিশও করেছে কমিশন। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে জেলা পরিষদের সদস্যদের জনগণের সরাসরি বা প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচনের সুপারিশ করা হয়েছে। এই সদস্যদের ভোটে তাদেরই একজন নির্বাচিত হবেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। প্রস্তাবে বলা হয়েছে— জেলা পরিষদ হবে ‘পরিকল্পনা ইউনিট’। আর উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ হবে ‘বাস্তবায়ন ইউনিট’। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস উইং থেকে কমিশনের দেয়া ওই সুপারিশ গণমাধ্যমকর্মীদের দেয়া হয়। সেখানে ১৪টি ক্ষেত্রে মোট ২১০টি সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে। সংস্কার কমিশন স্থানীয় সরকারের পাঁচটি প্রতিষ্ঠান— ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা পরিষদ এবং পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের জন্য পৃথক আইন ও বিধিমালা বাতিলের সুপারিশ করেছে। বলা হয়েছে— ‘এসব আইন ও বিধি বাতিল করে সব প্রতিষ্ঠানের জন্য সামঞ্জস্যপূর্ণ দু’টি একীভূত এবং স্থানীয় সরকার আইন ও বিধিমালা প্রণয়ন করতে হবে।’
এ ক্ষেত্রে ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পরিষদকে একটি আইনের অধীন আনা এবং পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের জন্য আরেকটি আইন প্রণয়ন করার সুপারিশ করা হয়েছে। মৌলিক এ দু’টি আইনের অধীন একই তফসিলে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন একটি সুনির্দিষ্ট পদ্ধতির অধীন আনার সুপারিশ করা হয়েছে। এতে নির্বাচনী ব্যয় ও সময় কমবে। সুপারিশে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সাংগঠনিক কাঠামো দু’টি প্রধান অংশে ভাগ করার কথা বলা হয়েছে। একটি বিধানিক অংশ, দ্বিতীয়টি নির্বাহী অংশ। বিধানিক অংশে প্রধানকে বলা হবে সভাধ্যক্ষ। তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের মতো দায়িত্ব পালন করবেন। আর নির্বাহী অংশের প্রধান হবেন মেয়র বা চেয়ারম্যান। নির্বাচিত কাউন্সিলর বা সদস্যরা পরিষদের প্রথম সভায় ভোট দিয়ে একজন সভাধ্যক্ষ নির্বাচিত করবেন। পরে সভাধ্যক্ষের সভাপতিত্বে মেয়র বা চেয়ারম্যান নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে। কাউন্সিলররা বা সদস্যরা নিজেদের মধ্যে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে মেয়র বা চেয়ারম্যান নির্বাচিত করবেন। আর নির্বাচিত মেয়র বা চেয়ারম্যান দায়িত্ব নিয়ে আইন অনুযায়ী তিন বা পাঁচ সদস্যের ‘নির্বাহী কাউন্সিল’ গঠন করবেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা চেয়ারম্যান ও মেয়রের ক্ষেত্রে স্নাতক এবং নির্বাহী সদস্যদের ক্ষেত্রে মাধ্যমিক পাস অগ্রাধিকার পাবে।
নির্বাচিত মেয়র বা চেয়ারম্যান পরোক্ষ ভোটে নির্বাচনের যে প্রস্তাবনা প্রফেসর তোফায়েল উপস্থাপন করেন, তা বেশ সমালোচনার মুখোমুখি হয়। অনেকে এই প্রস্তাবকে ‘আইয়ুবের মৌলিক গণতন্ত্রে’ প্রত্যাবর্তনের প্রয়াস বলে সমালোচনা করেন। বেশ কয়েকটি সংস্কার প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে— স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ও দায়িত্ব বিভাজন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সব স্তরে সরাসরি ও নির্দলীয় ভিত্তিতে নির্বাচন আয়োজন এবং কর-রাজস্ব ব্যবস্থার স্থানীয়করণ। মেয়রদের কাছে কাউন্সিলররা এবং চেয়ারম্যানের কাছে মেম্বাররা কোনো গুরুত্ব পান না। তাদেরকে অনুগত থাকতে বাধ্য করা হয়। এতে স্থানীয় নেতৃত্বের বিকাশ না হয়ে বরং অবদমন হয়। সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার কারণে মেয়র ও চেয়ারম্যানরা দাপট দেখাতে সচেষ্ট থাকেন। তোফায়েল কমিশন যুক্তি দেখায়, কাউন্সিলর ও মেম্বাররা সংস্কার বাস্তবায়িত হলে নিজেদেরকে যথার্থভাবে ক্ষমতায়িত করতে পারবেন। স্থানীয় পর্যায়ে নেতৃত্বের বিকাশ হবে। এছাড়া নেতৃত্বের ক্ষেত্রে স্থানীয় পর্যায়ে যে উত্তরাধিকারের জন্মলাভ করেছে, তার অবসান হবে।
বর্তমান সরকারে থাকা রাজনৈতিক দল বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচির ২০তম দফায় বলা হয়েছে— ‘ক্ষমতার ব্যাপক বিকেন্দ্রীকরণের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে অধিকতর স্বাধীন, শক্তিশালী ও ক্ষমতাবান করা হবে। এসব প্রতিষ্ঠানকে এমনভাবে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে, যেন তারা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন পরিষেবা প্রদান ও উন্নয়নকার্যক্রমে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। স্থানীয় প্রশাসন ও অন্য কোনো জনপ্রতিনিধির খবরদারিমুক্ত স্বাধীন স্থানীয় সরকার নিশ্চিত করা হবে। মৃত্যুজনিত কারণ কিংবা আদালতের আদেশে পদ শূন্য না হইলে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে সরকারি প্রশাসক নিয়োগ করা হবে না। আদালত কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নির্বাহী আদেশবলে সাসপেন্ড/বরখাস্ত/অপসারণ করা হবে না।’
ঘোষিত কর্মসূচিতে দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন হবে কি না— এরকম স্পষ্টত না থাকলেও বিএনপির নেতৃত্ব বারবার করে নিশ্চিত করেছেন, দলীয় প্রতীকে তারা স্থানীয় নির্বাচন করবেন না। মূলত তাদের এই সিদ্ধান্ত জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন। জনমত জরিপে দেখা গেছে, আওয়ামী লীগের দলীয় নির্বাচনের সিদ্ধান্ত জনগণ ভালোভাবে গ্রহণ করেনি। সঙ্গতভাবেই বিএনপি ও জামায়াত দলীয় নির্বাচনের বিপক্ষে থাকবে। তবে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য সঠিক। এই আইন ও বিধিগত ব্যবস্থা অপসারণ না করে, স্থানীয় নির্বাচন দেয়া সম্ভব নয়। তবে যেহেতু সরকারটি রাজনৈতিক, সেহেতু স্থানীয় পর্যায়ের নেতা নেতৃত্বের আকাঙ্ক্ষাকেও তাদের মনোযোগ দিতে হবে। সে জন্য বিএনপি নেতৃত্ব নির্বাচনের পরপরই স্থানীয় নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য যে, ২০২৪ সালের গণবিপ্লবের পর স্থানীয় সরকারব্যবস্থা নাজুক অবস্থায় রয়েছে। আওয়ামী আমলে দলীয় প্রাধান্য নিরঙ্কুশ থাকার কারণে নির্বাচিত লোকদের অনেকেই গণরোষে গা ঢাকা দেন। তাদের কেউ কেউ প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলের সহায়তায় পুনর্বাসিত হলেও সঙ্কট কাটেনি। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে জানা গেছে, তারা বাস্তব অবস্থার খোঁজখবর নিচ্ছেন।
বিএনপি সরকার স্থানীয় সরকারের নির্বাচন সহসাই শুরু করতে চায়। সে ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশন ও বড় বড় পৌরসভার নির্বাচন এখনই করা সম্ভব। জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই স্থানীয় সরকার দলীয় কী নির্দলীয়— তা মীমাংসা হবে বলে আশা করা যায়। তবে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ, যেখানে বর্তমানে নেতৃত্বের সঙ্কট বিরাজ করছে, তা অতি শিগগিরই মোকাবেলা করা যাবে, এমন নয়। সামনে বর্ষাকাল। সুতরাং বর্ষা অতিক্রান্ত হলেই কেবল নির্বাচন সম্ভব। বিএনপি সরকার নিঃসন্দেহে জুলাই বিপ্লবের চেতনা ও আশা-আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে। সুতরাং আশা করা যায়, সংস্কার কমিশনের সুপারিশের বিষয়ে সরকার আন্তরিক হবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে সুশাসন নিশ্চিত করার আশু পদক্ষেপ নেবে।
লেখক : অধ্যাপক (অব:), সরকার ও রাজনীতি বিভাগ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়



