কাবুলে পাকিস্তানের হামলার পর চীনের প্রতিক্রিয়া

বেইজিং জানিয়েছে, চীনের এক বিশেষ দূত দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতা করতে এক সপ্তাহ সময় ব্যয় করেছেন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সংশ্লিষ্ট তিন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান
সংশ্লিষ্ট তিন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান |সংগৃহীত

কাবুলে একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্রে বিমান হামলায় অন্তত ৪০০ জন নিহত হওয়ার পর পাকিস্তান ও আফগানিস্তানকে ‘শান্ত ও সংযম’ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে চীন।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দেশটি উভয় দেশকে এই আহ্বান জানায়। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।

আফগানিস্তান অভিযোগ করে বলেছে, তাদের রাজধানী কাবুলের একটি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে পাকিস্তান হামলা চালিয়েছে। তবে ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক লোকজনকে লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টি অস্বীকার করেছে ইসলামাবাদ।

আফগান স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় প্রায় ৪০০ জন নিহত এবং ২ শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। উদ্ধার অভিযান এখনো চলমান রয়েছে এবং নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে পাকিস্তানি সেনারা বেশ কয়েকবার কাবুলে হামলা চালিয়েছে। তালেবান সরকার সীমান্তপাড়ের হামলাকারীদের আশ্রয় দিচ্ছে- পাকিস্তানের এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দুই দেশের মধ্যে এই সঙ্ঘাত শুরু হয়।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার দুই দেশকে দ্রুত যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে এবং আলোচনার মাধ্যমে মতপার্থক্য মেটানোর আহ্বান জানিয়েছে।

পাকিস্তান এ অঞ্চলে চীনের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী। অন্যদিকে, বেইজিং নিজেকে আফগানিস্তানেরও এক ‘বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী’ হিসেবে দাবি করে।

বেইজিং জানিয়েছে, চীনের এক বিশেষ দূত দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতা করতে এক সপ্তাহ সময় ব্যয় করেছেন।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘চীন উত্তেজনা কমাতে এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নে গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে নিজস্ব চ্যানেলগুলো ব্যবহার অব্যাহত রাখবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সংলাপ ও আলোচনাই দুই দেশের মধ্যে সমস্যার সমাধানের একমাত্র কার্যকর উপায়।’