ইরানে চলমান যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ইতোমধ্যেই বিপুল ব্যয় ডেকে এনেছে। গত মাসে যুদ্ধ শুরুর ছয় দিনের মাথায় পেন্টাগন আইনপ্রণেতাদের জানায় যে, তাদের এ যুদ্ধে খরচ হয়েছে ১১.৩ বিলিয়ন (১১৩০ কোটি) ডলার।
যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় দৈনিক ব্যয় পরিবর্তিত হয়েছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘দুর্বল হওয়ায়’ খরচ কিছুটা কমেছে।
তবে বিশেষজ্ঞদের অনুমান, সংঘাতে এখনো প্রতিদিন প্রায় ৩৮৫ মিলিয়ন ডলার (৩৮ কোটি ৫০ লাখ) ব্যয় হচ্ছে।
ইরানের সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালানোর হুমকি ট্রাম্পের
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী এখনো ইরানে যা অবশিষ্ট আছে তা ধ্বংস করা শুরুই করেনি।’
ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে তিনি মার্কিন সেনাবাহিনীকে ‘বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সবচেয়ে শক্তিধর’ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, তারা এবার সেতুগুলোকে, তারপর বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করবে।
এর আগে তেহরানের পশ্চিমে কারাজ শহরে নির্মাণাধীন একটি সেতুতে বিমান হামলায় আটজন নিহত এবং প্রায় ১০০ জন আহত হন।
ট্রাম্প আরো বলেন, ‘নতুন শাসন নেতৃত্ব জানে কী করতে হবে, এবং তা দ্রুত করতে হবে।’
তার পুরো পোস্টটি ছিল এ রকম, ‘আমাদের সামরিক বাহিনী, যা বিশ্বে (অনেক ব্যবধানে!) সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সবচেয়ে শক্তিশালী, এখনো ইরানে যা অবশিষ্ট আছে তা ধ্বংস করা শুরুই করেনি। এবার সেতু, এরপর বিদ্যুৎকেন্দ্র! শাসনতন্ত্রের নতুন নেতৃত্ব জানে কী করতে হবে এবং তা করতে হবে দ্রুত! প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প।’
এই বি১ সেতু, যা হামলার সময় পর্যন্ত যান চলাচলের জন্য খোলা হয়নি, সেটিকে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম উঁচু সেতু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুসারে, এটি ১ হাজার ৫০ মিটার দীর্ঘ এবং এতে ১৩৬টি মিটার উঁচু স্তম্ভ রয়েছে।
সূত্র : বিবিসি



