ইরান থেকে একাধিক দফায় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ প্রতিহত করতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে বলে ইসরাইলের সামরিক বাহিনী বৃহস্পতিবার জানিয়েছে। একইসাথে তেহরান ও হিজবুল্লাহর অবস্থান লক্ষ্য করে ‘বিস্তৃত পরিসরে’ হামলা চালানোর কথাও জানিয়েছে ইসরাইল।
ইরানের গণমাধ্যম জানায়, তেহরানের মিত্র লেবাননের হিজবুল্লাহকে সাথে নিয়ে ইসরাইলের বিরুদ্ধে যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র অভিযান চালিয়েছে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড।
এর জবাবে ইসরাইল জানায়, তারা তেহরান ও লেবাননের রাজধানীতে হিজবুল্লাহর একটি ঘাঁটি লক্ষ্য করে ‘বিস্তৃত পরিসরে’ হামলা চালাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার আলাদা দু’টি সময়ে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানায়। তারা জানায়, ‘ইসরাইল রাষ্ট্রের ভূখণ্ডের দিকে ইরান থেকে নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করা হয়েছে।’
সামরিক বাহিনী দু’বারই তাদের সরকারি টেলিগ্রাম চ্যানেলে জানায়, ‘হুমকি প্রতিহত করতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে।’
অন্য এক বার্তায় ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানায়, তারা ৩০ মিনিটের মধ্যে দক্ষিণ বৈরুতের দাহিয়েহ এলাকায় ১০টি ‘সন্ত্রাসী স্থাপনায়’ হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে গোয়েন্দা সদর দফতর, রাদওয়ান ইউনিটের একটি সদর দফতর ও আরও কয়েকটি কমান্ড সেন্টার রয়েছে।
বৃহস্পতিবার ভোরজুড়ে জেরুসালেমসহ ইসরাইলের বিভিন্ন এলাকায় সাইরেন বেজে ওঠে।
ইরানের প্রথম দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ম্যাগেন ডেভিড আদম জরুরি সেবা সংস্থা জানায়, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথে পড়ে যাওয়া কয়েকজনকে চিকিৎসা দিতে প্যারামেডিক দল মোতায়েন করা হয়েছে।
সূত্র : বাসস



