গাজা থেকে শেষ পণবন্দীর দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরাইলের

গত অক্টোবরে হামাসের সাথে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে মাস্টার সার্জেন্ট র‍্যান গিভিলিকে খুঁজছিল ইসরাইল।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
মাস্টার সার্জেন্ট র‍্যান গিভিলি
মাস্টার সার্জেন্ট র‍্যান গিভিলি |সংগৃহীত

ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা গাজা থেকে সর্বশেষ পণবন্দীর লাশ উদ্ধার করেছে।

গত অক্টোবরে হামাসের সাথে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে মাস্টার সার্জেন্ট র‍্যান গিভিলিকে খুঁজছিল ইসরাইল।

শর্ত অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জীবিত ও মৃত সকল পণবন্দীকে ফেরত দেয়ার কথা ছিল হামাসের। এর আওতায় ২০ জন জীবিত ইসরাইলি পণবন্দী এবং ২৭ জন মৃত ইসরাইলি ও বিদেশী পণবন্দীর লাশ বা দেহাবশেষ হস্তান্তর করা হয়। তবে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে হামাস জানিয়ে আসছিল, তারা এখনো গিভিলির সন্ধান পায়নি।

এদিকে, গত রোববার ইসরাইল জানায়, র‍্যান গিভিলির লাশ খুঁজে বের করে ইসরাইলে ফিরিয়ে আনার পর গাজা ও মিসরের মধ্যকার সীমান্ত ক্রসিং আবার খুলে দেয়া হবে।

সেক্ষেত্রে এখন যেহেতু লাশ উদ্ধার হয়েছে, সেহেতু ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপে এগোনোর পথটিও খুলেছে। এই ধাপে গাজার পুনর্গঠন ও অঞ্চলটিকে পুরোপুরি নিরস্ত্রীকরণের কথা রয়েছে। এর মধ্যে হামাস ও অন্যান্য ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীর অস্ত্র সমর্পণও অন্তর্ভুক্ত।

র‍্যান গিভিলির সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত এতদিন এই ধাপে এগোতে রাজি ছিল না ইসরাইল।

ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে জানায়, তাদের কাছে থাকা গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, ইয়ামাম কমান্ডো যোদ্ধা মাস্টার সার্জেন্ট (রিজার্ভ) র‍্যান গিভিলি ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর সকালে নিহত হন। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ২৪ বছর। এরপর তার লাশ অপহরণ করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, এবার গাজা থেকে সকল পণবন্দীকেই ফেরত আনা হয়েছে।

সূত্র : বিবিসি