ওমানের দুকম বন্দরের একটি জ্বালানি ট্যাঙ্ক ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, এই হামলায় কোনো মানুষ হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ক্ষয়ক্ষতিও নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।
গত সপ্তাহের শেষ দিকেও একই বন্দরে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছিল। প্রতিবেদন অনুসারে, ওই হামলায় একজন শ্রমিক আহত হয়েছিলেন।
এর আগে সোমবার কাতারের কয়েকটি স্থাপনায় ইরানি হামলার পর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের উৎপাদন বন্ধ করে দেয়া হয়- যা বিশ্বব্যাপী সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। সৌদি আরবও বৃহত্তম দেশীয় তেল শোধনাগারের উৎপাদন স্থগিত রেখেছে।
বছরের পর বছর ধরে মার্কিন-ইরান আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে আসছে ওমান। গত মাসেই দেশটিতে সবশেষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
তিন দিনের মধ্যে এটি ওই বন্দরে দ্বিতীয় হামলা। উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরান তাদের লক্ষ্যবস্তু সম্প্রসারণের প্রেক্ষাপটে এ হামলা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার আলোচনায় মধ্যস্থতার ভূমিকা পালনকারী ওমান যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে।
ওমান নিউজ অ্যাজেন্সি জানায়, রোববার একই বন্দরে দুইটি ড্রোন আঘাত হানলে একজন শ্রমিক আহত হন। একটি ড্রোন শ্রমিকদের আবাসনে আঘাত হানে। অন্যটির ধ্বংসাবশেষ জ্বালানি ট্যাংকের কাছে পড়ে।
সোমবার রাজধানী মাস্কাটে উপকূলের কাছে একটি তেলবাহী জাহাজে হামলায় একজন নিহত হন। এতে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড ঘটে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
জাহাজটির প্রধান ইঞ্জিন কক্ষে বিস্ফোরণে একজন ক্রু সদস্য নিহত হন। তিনি ভারতীয় নাগরিক।
উল্লেখ্য, গত শনিবার থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। পাল্টা হিসেবে ইরানও ইসরাইল ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ করেছে।
সূত্র : বিবিসি, এএফপি



