ইরান যুদ্ধের প্রভাবে পানামা খালে জাহাজ চলাচল বেড়েছে

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এক মাসের এই সঙ্ঘাতে ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালী অবরোধ করে রেখেছে। স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস রফতানির এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
পানামা খালে জাহাজ চলাচল
পানামা খালে জাহাজ চলাচল |সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে পানামা খাল ব্যবহারকারী জাহাজের সংখ্যা বেড়েছে। সোমবার খাল কর্তৃপক্ষের এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এক মাসের এই সঙ্ঘাতে ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালী অবরোধ করে রেখেছে। স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস রফতানির এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।

খালটির উপ-প্রশাসক ইলিয়া এস্পিনো দে মারোত্তা টেলেমেট্রো চ্যানেলকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘এ বছর আমরা প্রতিদিন প্রায় ৩৪টি জাহাজ চলাচলের আশা করেছিলাম। কিন্তু গত দুই সপ্তাহে তা বেড়ে ৩৮, ৩৯, এমনকি ৪০টিতে পৌঁছেছে।’

বিশ্বের মোট সামুদ্রিক বাণিজ্যের পাঁচ শতাংশ পানামা খাল দিয়ে সম্পন্ন হয়। এর প্রধান ব্যবহারকারী যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। এই রুট মূলত যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলকে এশিয়ার চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের সাথে সংযুক্ত করে।

এস্পিনো দে মারোত্তা বলেন, ‘পানামা খাল একটি নিরাপদ ও সংক্ষিপ্ত পথ। গ্যাসের দাম বিবেচনায়ও এটি খরচ কমায়।’

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রতিদিন ৪০টি জাহাজ চলাচল ঝুকিপূর্ণ, কারণ এই পথে ধারণক্ষমতা সীমিত।

তিনি আরো জানান, এপ্রিল নাগাদ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী জাহাজের সংখ্যা আবার বাড়তে পারে। ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর এ ধরনের জাহাজ চলাচল কমে গিয়েছিল।

তিনি বলেন, ‘আগে বছরে পাঁচ শতাধিক জাহাজ চলাচল করত। কিন্তু ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে তা কমে যায়। এখন আবার বাড়তে শুরু করেছে।’

সূত্র: বাসস