সন্দেহভাজন মাদকবাহী নৌযানে ফের মার্কিন হামলা, নিহত ৩

এক ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি নৌযানকে লক্ষ্য করে বোমা নিক্ষেপ করা হচ্ছে এবং মুহূর্তের মধ্যে সেটি আগুনে পুড়ে যাচ্ছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী গতকাল শুক্রবার আবারো পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে কথিত মাদক পাচারকারীদের একটি নৌযানে হামলা চালিয়েছে। এ হামলায় তিনজন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন।

মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে জানায়, যৌথ টাস্ক ফোর্স কথিত মাদক পাচারের একটি রুটে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’-এর পরিচালিত একটি নৌযানের ওপর প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে।

মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড আরো উল্লেখ করেছে, মার্কিন যৌথ টাস্ক ফোর্স পরিচালিত ওই অভিযানে তিনজন পুরুষ ‘মাদক-সন্ত্রাসী’ নিহত হয়েছে।

পোস্টে আকাশ থেকে ধারণ করা সাদা-কালো প্রকাশিত এক ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি নৌযানকে লক্ষ্য করে বোমা নিক্ষেপ করা হচ্ছে এবং মুহূর্তের মধ্যে সেটি আগুনে পুড়ে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র গত বছরের সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে সন্দেহভাজন মাদকপাচারকারী নৌযানগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা শুরু করেছে। এরপর থেকে প্রায় ১৫০ জন নিহত হয়েছে এবং কয়েক ডজন নৌযান ধ্বংস হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের আমলে এই সব হামলা নিয়মিতভাবে চালানো হচ্ছে।

তবে এই সব অভিযানে অবৈধ কর্মকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ প্রকাশ না করায় আইন বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

তাদের মতে, এ ধরনের হত্যাকাণ্ডকে বিচারবহির্ভূত হত্যা হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে।

ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, মাদক পাচার দমনে এই অভিযান অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ আমেরিকার উপকূলে নৌবাহিনী মোতায়েন করেছে। তেলবাহী জাহাজ জব্দ করেছে ও এক নাটকীয় অভিযানে ভেনিজুয়েলার বামপন্থী নেতা নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার জন্য অভিযান চালিয়েছে।

মাদুরো বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে কারাবন্দী আছেন এবং তার বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র-সংক্রান্ত অভিযোগে বিচার চলছে।

তবে তিনি এই সব অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন।

সূত্র : বাসস