যে বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা জানুয়ারিতে কারাকাসে এক অভিযান চালিয়ে ভেনিজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে আটক করেছিল, শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) তাদের সাথে সাক্ষাৎ করবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
নর্থ ক্যারোলাইনার ফোর্ট ব্র্যাগ সামরিক ঘাঁটিতে সৈন্যদের সাথে সাক্ষাৎ করার সময় ট্রাম্পের সাথে ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পও থাকবেন।
এর আগে, ৩ জানুয়ারি রাতে পরিচালিত এক অভিযানে মার্কিন বাহিনী হেলিকপ্টারে করে আকস্মিক হামলা চালায়। এ সময় কারাকাসের একটি সুরক্ষিত কমপাউন্ড থেকে মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করা হয়।
ভেনিজুয়েলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই অভিযানে ৮৩ জন নিহত এবং ১১২ জনের বেশি আহত হয়েছেন। অভিযানের শুরুতে ভেনিজুয়েলার সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন বোমা হামলা চালানো হয়। তবে, এ সময় মার্কিন বাহিনীর কোনো সদস্য নিহত হয়নি।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি ‘অপারেশন অ্যাবসোলিউট রিজলভ’ সফলভাবে পরিচালনা করা বিশেষ বাহিনীর সদস্য ও তাদের পরিবারদের সাথে সাক্ষাৎ করবেন এবং তাদের অভিনন্দন জানাবেন।
নিকোলাস মাদুরো বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে আটক রয়েছেন এবং মাদক পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা চলছে। তবে, মাদুরো এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আগামী ১৭ মার্চ নিউইয়র্কে তার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারিত রয়েছে।
ট্রাম্প সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজকে মাদুরোর স্থলাভিষিক্ত হওয়ার অনুমোদন দেন। শর্ত ছিল তেলসম্পদে প্রবেশাধিকার ও রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়ন শিথিল করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবির সাথে সামঞ্জস্য রাখতে হবে।
ট্রাম্প একাধিকবার মাদুরো অভিযানের প্রশংসা করে একে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। জানুয়ারিতে আইওয়ায় এক সমাবেশে তিনি এ অভিযানকে ‘অসাধারণ’ বলে অভিহিত করেন।
এছাড়া ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে ‘ডিসকম্বোবুলেটর’ নামে একটি গোপন অস্ত্র ব্যবহারের কথাও উল্লেখ করেন। যা ভেনিজুয়েলার সামরিক সরঞ্জাম অকার্যকর করে দেয় বলে তিনি দাবি করেন।
সূত্র : বাসস



