মধ্যপ্রাচ্যে ১০ হাজার অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের ভূখণ্ডে স্থল অভিযান চালায়, তাহলে তেহরান ইয়েমেনে তাদের সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের সক্রিয় করবে। তারা লোহিত সাগরে জাহাজে হামলা চালাবে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
মার্কিন সেনাবাহিনীর সাথে ট্রাম্প
মার্কিন সেনাবাহিনীর সাথে ট্রাম্প |সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে আরো ১০ হাজার অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (২৭ মার্চ) মার্কিন গণমাধ্যমে এমন সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে স্থল অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে কি-না তা নিয়ে জল্পনা বেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে সেনা মোতায়েন করলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে আসছেন, যুদ্ধ অবসানে তেহরান ওয়াশিংটনের সাথে আলোচনায় অংশ নিচ্ছে।

মার্কিন সংবাদপত্র ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হবে ট্রাম্পকে মধ্যপ্রাচ্যে ‘আরো সামরিক বিকল্প’ প্রদান করা। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের ইরানে হামলার পর থেকে অঞ্চলটি যুদ্ধে জড়িয়ে আছে। নতুন সেনারা ইতোমধ্যে পাঠানো হাজারো প্যারাট্রুপার ও মেরিন সদস্যদের সাথে যোগ দেবে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের কোথায় এই সেনা মোতায়েন হবে, তা স্পষ্ট নয়। তবে তারা সম্ভবত ইরান ও দেশটির উপকূলের গুরুত্বপূর্ণ তেল রফতানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের আঘাতের আওতায় থাকবে। তবে, এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি পেন্টাগন।

বুধবার (২৫ মার্চ) এক ইরানি কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের ভূখণ্ডে স্থল অভিযান চালায়, তাহলে তেহরান ইয়েমেনে তাদের সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের সক্রিয় করবে। তারা লোহিত সাগরে জাহাজে হামলা চালাবে।

তবে, ট্রাম্প বারবার বলেছেন, তিনি ইরানের সাথে যুদ্ধে স্থল সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা করছেন না।

এদিকে ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলার সময়সীমা পিছিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যুদ্ধ অবসানের আলোচনা খুব ভালোভাবে এগোচ্ছে।

সূত্র : বাসস