বিবিএসের শুমারি রিপোর্ট

দশ বছরে অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা বেড়েছে ৪৯.৬৮ শতাংশ

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ( বিবিএস) বলছে, ২০২৪ সালে অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৭ লাখ ২ হাজার ৭৯২টি। যা ২০১৩ সালে ছিলো ৭৮ লাখ ১৮ হাজার ৫৬৫টি। সর্বাধিক ২৭.০৮ শতাংশ অর্থনৈতিক ইউনিট ঢাকায় এবং সর্বনিম্ন ৪.৬৭ শতাংশ সিলেটে অবস্থিত।

বিশেষ সংবাদদাতা

দেশে ১০ বছরে অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা ৪৯.৬৮ শতাংশ বেড়েছে। আর পল্লী ও শহর উভয় এলাকাতেই অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অর্থনৈতিক শুমারির প্রতিবেদনে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ( বিবিএস) বলছে, ২০২৪ সালে অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৭ লাখ ২ হাজার ৭৯২টি। যা ২০১৩ সালে ছিলো ৭৮ লাখ ১৮ হাজার ৫৬৫টি। সর্বাধিক ২৭.০৮ শতাংশ অর্থনৈতিক ইউনিট ঢাকায় এবং সর্বনিম্ন ৪.৬৭ শতাংশ সিলেটে অবস্থিত।

রাজধানীর আগারগাওস্থ বিবিএস অডিটোরিয়ামে মঙ্গলবার অর্থনৈতিক শুমারির প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এই তথ্য দেয়া হয়।

বু্রোর মহাপরিচালক মো. ফরহাদ সিদ্দিকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি, বিশেষ অতিথি পরিসংখ্যান সচিব আলেয়া আক্তার ও পরিকল্পনা সচিব এস এম শাকিল আহমেদ বক্তব্য রাখেন। সঞ্চালনায় ছিলেন যুগ্ম সচিব ও প্রকল্প পরিচালক ড. দিপঙ্কর রায়। প্রতিবেদন তুলে ধরেন উপ পরিচলক মো. মিজানুর রহমান।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের অর্থনৈতিক শুমারি অনুযায়ী পল্লী এলাকায় মোট অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা ৭৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮২৮টি এবং শহর এলাকায় ৪৩ লাখ ১৬ হাজার ৯৬৪টি। অন্যদিকে, ২০১৩ সালে পল্লি এলাকায় অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা ছিল ৫৫ লাখ ৮৯ হাজার ১৯টি এবং শহর এলাকায় ২২ লাখ ২৯ হাজার ৫৪৬টি। সে বিবেচনায়, পল্লি এবং শহর উভয় এলাকাতেই অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

মোট অর্থনৈতিক ইউনিট ১ কোটি ১৭ লাখ ২ হাজার ৭৯২টির মধ্যে স্থায়ী প্রতিষ্ঠান ৬২ লাখ ৬৯ হাজার ৪৫৭টি (৫৩.৫৭%), অস্থায়ী প্রতিষ্ঠান ৫ লাখ ৭৩ হাজার ৯৬৯টি (৪.৯১%) এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডসম্পন্ন খানা ৪৮ লাখ ৫৯ হাজার ৩৬৬টি (৪১.৫২%)।

বিভাগভিত্তিক উপাত্ত বিবেচনায় দেখা যায়, সর্বাধিক ২৭.০৮% অর্থনৈতিক ইউনিট ঢাকায় এবং সর্বনিম্ন ৪.৬৭% সিলেটে অবস্থিত। এছাড়া, চট্টগ্রাম ১৭.৫১%, রাজশাহী ১৪.৩৬%, খুলনা ১২.৭৩%, রংপুর ১১.৪১%, ময়মনসিংহ ৬.৬৩% ও বরিশালে ৫.৬১% অর্থনৈতিক ইউনিটের অবস্থান।

সংখ্যা বিবেচনায় মাইক্রো ও কুটির শিল্পের প্রাধান্য বেশি। মোট অর্থনৈতিক ইউনিটের মধ্যে মাইক্রো শিল্পের সংখ্যা ৫৬.৬৭% এবং কুটির শিল্পের সংখ্যা ৩৮.৭৪%। এছাড়া, ক্ষুদ্র শিল্প ৪.২০%, মাঝারি শিল্প ০.৩১% এবং বৃহৎ শিল্প রয়েছে ০.০৮%। দেশের মোট স্থায়ী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ব্যক্তিগত/পারিবারিক প্রতিষ্ঠান ৫৪ লাখ ৭৭ হাজার ২৪টি (৮৭.৩৬%)। এছাড়া, অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ৪ লাখ ৬৯৬টি (৬.৩৯%)।