স্বস্তিতে নেই দেশের সাধারণ মানুষ। নতুন বছরেও সার্বিকসহ খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতির হার ঊর্ধ্বমুখী। দেশে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে জানুয়ারীতে ৮.৮৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। অন্যদিকে, খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে এখন ৮.২৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। কমেছে খাদ্যবহির্ভূত খাতে।
সদ্য প্রকাশিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ তথ্যে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) এসব জানানো হয়েছে।
পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, সার্বিকভাবে মূল্যস্ফীতির হার ডিসেম্বরে ছিল ৮.৪৮ শতাংশ। যা জানুয়ারিতে বেড়ে এখন ৮.৬৩ শতাংশ হয়েছে। খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতির হার ডিসেম্বরের ৭.৬৭ শতাংশ থেকে বেড়ে জানুয়ারিতে ৮.১৮ শতাংশ হয়েছে। তবে খাদ্যবহির্ভূত খাতে ডিসেম্বরের ৯.২৬ শতাংশ থেকে কমে জানুয়ারিতে ৯.০৪ শতাংশে এসেছে।
শহরের মানুষ ভালো নেই
সবজির ভরা মৌসুমেও নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজির দাম বেশি হওয়াতে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। ডিসেম্বরের ৮.৫৫ শতাংশ থেকে বেড়ে জানুয়ারিতে ৮.৫৭ শতাংশ হয়েছে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার। খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতির হার যেখানে ডিসেম্বরে ছিল ৭.৮৭ শতাংশ, সেটা জানুয়ারিতে এসে ৮.৬১ শতাংশ হয়েছে। আর খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতির হার ডিসেম্বরের ৮.৯৯ শতাংশ থেকে কমে জানুয়ারিতে ৮.৫৪ শতাংশে নেমেছে।
মূল্যস্ফীতির চাপে গ্রামের মানুষও
খাদ্য উৎপাদনকারী গ্রামের খেটেখাওয়া মানুষও মূল্যস্ফীতির চাপে রয়েছে। সার্বিকভাবে মূল্যস্ফীতির হার ডিসেম্বরে ছিল ৮.৪৮ শতাংশ। জানুয়ারিতে এসে ৮.৬৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতির হার ডিসম্বেরের ৭.৬৭ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে জানুয়ারিতে ৮.১৮ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। আর খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতির হার ডিসেম্বরের ৯.২৬ শতাংশ থেকে জানুয়ারিতে ৯.০৪ শতাংশে এসেছে।
মজুরি সূচকে মিশ্রভাব
মূল্যস্ফীতির হার বৃদ্ধি পেয়েও দেশে মজুরি সূচক হার এখনো তার নিচে। সাধারণ মজুরি সূচক ডিসম্বেরের ৮.০৭ শতাংশ থেকে কিঞ্চিৎ বেড়ে জানুয়ারিতে ৮.০৮ শতাংশ হয়েছে। কৃষিতে কমে ৮.১৬ শতাংশ থেকে জানুয়ারিতে ৮.১২ শতাংশে, শিল্প খাতে মজুরি সূচক ডিসেম্বরে ৭.৯১ শতাংশ থেকে বেড়ে জানুয়ারিতে ৭.৯৮ শতাংশ হয়েছে। আর সেবা খাতে ডিসেম্বর ৮.২৪ শতাংশ ছিল। জানুয়ারিতে অপরিবর্তিত রয়েছে বলে বিবিএসের তথ্যে প্রকাশ করা হয়েছে।



