বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী সিলেট-৪ আসনে লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন। তিনি তৃণমূল থেকে ওঠে আসা একজন রাজনীতিবিদ। সিলেট সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ছিলেন। সে সময় নগর উন্নয়ন কমিটির সভাপতি এবং তৎকালীন অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের উন্নয়নের অন্যতম সহযোগী ছিলেন। এরপর ২০১৩ সাল থেকে টানা দু’বার সিলেট সিটির মেয়র নির্বাচিত হন। এবার বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন আরিফুল হক চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে সিলেট-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে এক লাখ ৮১ হাজার ৬০৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন বিএনপি প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের জয়নাল আবেদীন পেয়েছেন ৭১ হাজার ৩৯১ ভোট।
শুক্রবার বাদ জুমা নিজ বাসায় বাসস’কে সাক্ষাৎকার দেন আরিফুল হক চৌধুরী।
তিনি বলেন, জৈন্তা, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জের মানুষ আমাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করায় আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। মানুষ যে বিপুল সমর্থন দিয়ে আমাকে এমপি নির্বাচিত করেছেন, মানুষের ভালোবাসার এই ঋণ শোধ করার মতো ক্ষমতা আমার নেই।
আরিফুল হক বলেন, আমি মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করব- তিন উপজেলার জনগণ যেটার ওপর বিশ্বাস করে আমার ওপর আস্থা রেখে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছেন তাদের সেই চাওয়া যেন পূরণ করতে পারি। তাদের চাওয়া-রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মাদরাসা, গির্জা, শ্মশানঘাট, গ্যাস, সনাতন পদ্ধতিতে পাথর উত্তোলনের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং শ্রমিকদের নানা সমস্যার সমাধান করা। এই উদ্দেশ্যেই তারা আমাকে ভোট দিয়েছেন। আমি শপথের পরে আমার নির্বাচনী এলাকার জনগণকে নিয়ে বসে অগ্রাধিকারভিত্তিতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে এরপর আমাদের কার্যক্রম শুরু করব, ইনশা আল্লাহ।
সিলেটের সামগ্রিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিলেট বিভাগে আমার দল থেকে ১৮ জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছি। আমরা একত্রে বসে সিলেটের সামগ্রিক উন্নয়নের পরিকল্পনা ঠিক করব।
তিনি আরো বলেন, আমার দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেকে হাফ-সিলেটি দাবি করেছেন। তিনি আমাদের সিলেটের জামাই। সিলেটের মানুষ তাকে সম্মান দেখিয়ে একযোগে ধানের শীষে ভোট দিয়েছে। তারা দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান চায়। আমরা সেই আশা ও পরিকল্পনা নিয়ে সিলেটকে এগিয়ে নিতে কাজ করব।
সূত্র : বাসস



