‘তাক্বওয়াভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠিত হলে সমাজে ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্রসহ সবকিছুই কল্যাণকামী ও গণমুখী হয়ে ওঠে এবং সমাজ থেকে অশ্লীলতা, বেহায়াপনা, ফিৎনা, গীবত ও জেনা-ব্যভিচার সহ যাবতীয় অপরাধ প্রবণতা দূর হয়ে একটি শান্তির সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়’ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাজধানীর একটি মিলনায়তনে বাড্ডা দক্ষিণ থানা জামায়াত আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
থানা আমির মাসউদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ও থানা কর্মপরিষদ সদস্য আবদুল্লাহ আল মারুফের সঞ্চালনায় ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরে সহকারী সেক্রেটারি নাজিম উদ্দীন মোল্লা। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় নেতারা।
ড. রেজাউল করিম বলেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদেরকে পরিশুদ্ধ করার জন্য মহিমান্বিত মাহে রমযান দান করেছেন। এ প্রসঙ্গে পবিত্র কালামে হাকীমে বলা হয়েছে, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর সিয়াম পালন অত্যাবশ্যকীয় করে দেয়া হয়েছে; যেমন তোমাদের পূর্ববর্তীগণের ওপর অত্যাবশ্যকীয় করে দেয়া হয়েছিলো; যাতে তোমরা তাক্বওয়ার গুণাবলী অর্জন তথা মোত্তাকী; শুদ্ধ, ভালো, নেক্কার, মার্জিত, শালীন ও মানবিক হতে পারো। এমন এক মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে পারো যে সমাজ কাউকে অসম্মান, অপমান, প্রতারিত ও ধোঁকা দেবে না। যে সমাজের কোনো মানুষকে কারো ক্ষতি করার পরিবর্তে পরস্পরের জন্য কল্যাণকামী হবে। জামায়াতে ইসলামী এমনি একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও গণমুখী সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘ পরিসরে আন্দোলন করে যাচ্ছে। তিনি সে স্বপ্নের সমাজ প্রতিষ্ঠায় সকলকে এক দফায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।



