নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ জামায়াত জোটের

বিভিন্নস্থানে হামলা বন্ধের আহ্বান

‘নির্বাচনে কিছু আসনে ভয়াবহ অনিয়ম হয়েছে। ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। এখনো নানা ধরনের অপচেষ্টা চলছে। এছাড়া বিভিন্নস্থানে হামলা, ভাঙচুর, আগুন দেয়া হচ্ছে।’

নিজস্ব প্রতিবেদক
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলের বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত আমির ডা: শফিকুর রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হকসহ অন্যরা
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলের বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত আমির ডা: শফিকুর রহমান, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হকসহ অন্যরা |নয়া দিগন্ত

নির্বাচনে ফলাফল ঘোষণায় ব্যাপক ম্যাকানিজম করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচনে কিছু আসনে ভয়াবহ অনিয়ম হয়েছে। ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। এখনো নানা ধরনের অপচেষ্টা চলছে। এছাড়া বিভিন্নস্থানে হামলা, ভাঙচুর, আগুন দেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন,

আমাদের উদারতাকে দুর্বলতা ভাববেন না। আমরা প্রতিশোধ চাই না কিন্তু প্রতিকার পাওয়ার অধিকার আমাদের আছে। নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন যদি এখনই কোনো ব্যবস্থা না নেয় তাহলে এর জন্য তারা দায়ী থাকবে।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলের বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।


এ সময় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন,

নির্বাচনে ভোটের পরিবেশ ঠিক থাকলেও ফলাফলে সুস্পষ্ট কারচুপি করা হয়েছে।

ঢাকা-৮, ১৩ এবং গোলাম পরওয়ারের আসনসহ বেশকিছু আসন টার্গেট করে এটি করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন,

প্রশাসনকে ব্যবহার করে ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন,

নির্বাচনের পর বিভিন্নস্থানে ১১ দলের নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। এর প্রতিবাদে প্রয়োজনে ১১ দল আন্দোলন নামবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক বলেন,

ভোট গণনার পর থেকেই নির্বাচনে কারচুপি করা শুরু হয়। এটা জুলাই চেতনার সাথে অশ্রদ্ধা। আমরা এর সাথে কম্প্রমাইজ করব না।