পাবনা ও গাইবান্ধায় ধর্ষণের পর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জামায়াতের নিন্দা ও প্রতিবাদ

দাদি ও নাতনিকে নির্মমভাবে হত্যা এবং নাতনিকে সম্ভাব্য ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার যে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে, তা মানবিক মূল্যবোধকে চরমভাবে ভূলুণ্ঠিত করেছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন

Location :

Dhaka
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর লোগো
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর লোগো |ফাইল ছবি

পাবনার ঈশ্বরদী ও গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সংঘটিত সাম্প্রতিক ধর্ষণ পরবর্তী নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

রোববার (১ মার্চ) এক বিবৃতিতে এ ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানান তিনি।

বিবৃতিতে জুবায়ের বলেন, ‘পাবনার ঈশ্বরদীতে দাদি ও নাতনিকে নির্মমভাবে হত্যা এবং নাতনিকে সম্ভাব্য ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার যে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে, তা মানবিক মূল্যবোধকে চরমভাবে ভূলুণ্ঠিত করেছে। একইভাবে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে এক স্কুল শিক্ষিকাকে ধর্ষণের পর হাত-পা বেঁধে হত্যা করার ঘটনা জাতিকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে।’

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে নারী ও শিশুদের ধর্ষণ, হত্যাকাণ্ড এবং সহিংসতার ধারাবাহিকতায় এটাই প্রতীয়মান হয় যে, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। সরকার নাগরিকদের জানমাল রক্ষায় ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। এতে জনমনে গভীর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়েছে। দেশবাসী মনে করে, অপরাধের দ্রুত বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা আরো অপরাধপ্রবণ হয়ে উঠছে এবং বারবার এমন নৃশংসতা ঘটাচ্ছে। আমরা এই সব নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘অবিলম্বে পাবনা ও গাইবান্ধার ঘটনায় জড়িত ধর্ষক ও হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেফতার এবং সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব। এমতাবস্থায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নারী নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড বন্ধে আরো কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং দেশব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি নিহতদের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।’