ডা: তাহের

১২ ফেব্রুয়ারি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে বলে আশা করছি

‘আমরা প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দল হিসেবে কেবল সমতা চাই—এর বেশি কিছু নয়।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা: সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো: তাহের
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা: সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো: তাহের |ফাইল ছবি

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা: সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো: তাহের আশা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, আমরা আশা করছি, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধিদলের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি একথা বলেন।

ডা: তাহের বলেন, নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরুর পর দীর্ঘদিন ধরে বলা হচ্ছিল যে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে না। কিন্তু সকল রাজনৈতিক দলের স্বতঃস্ফূর্তভাবে মনোনয়নপত্র দাখিলের মধ্য দিয়ে সেই বক্তব্য আজ অসার প্রমাণিত হয়েছে।

এর আগে সন্ধ্যা ৬টা ১৭ মিনিটে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সাথে বৈঠকে অংশ নেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল।

ডা: তাহের বলেন, ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে জানানো হচ্ছিল। তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টা তাদের আশ্বস্ত করেছেন যে সাম্প্রতিক মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এবং পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানো হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে আমরা এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখি। এজন্য আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়েছি।

ভোটের দিন ভোটকেন্দরের ভেতরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন প্রসঙ্গে ডা: তাহের বলেন, পুলিশ, র‌্যাব, আনসার কিংবা সেনাবাহিনীর কোনো সদস্যেরই ভোটকেন্দরের ভেতরে প্রবেশ করা উচিত নয়। এতে ভোটারের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এবং ভোটারদের মধ্যে ভীতির সৃষ্টি হতে পারে। তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টা এ বিষয়ে তাদের আশ্বস্ত করেছেন।

তিনি আরো বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড শুধু নির্বাচনের কাছাকাছি সময়ে নয়, যেদিন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হয়েছে সেদিন থেকেই নিশ্চিত হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে কাউকে অতিরিক্ত সুবিধা দেয়া হচ্ছে, আবার কাউকে দেয়া হচ্ছে না। আমরা প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দল হিসেবে কেবল সমতা চাই—এর বেশি কিছু নয়।

প্রতিনিধিদলে আরো ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।