বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ভোগ্যপণ্যের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা ‘অ্যাম্বিয়েন্তে ফ্রাঙ্কফুর্ট-২০২৬’ জার্মানির মেসে ফ্রাঙ্কফুর্টে ৬ থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।
বিশ্বব্যাপী একটি প্রধান ওয়ান-স্টপ সোর্সিং গন্তব্য হিসেবে স্বীকৃত ‘অ্যাম্বিয়েন্তে’ বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক ভোগ্যপণ্য মেলা হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছে। যা বিশ্বজুড়ে পণ্যের উৎপাদক, প্রদর্শক এবং পেশাদার ক্রেতাদের আকর্ষণ করে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বরাবরের মতো অ্যাম্বিয়েন্তে ফ্রাঙ্কফুর্ট ২০২৬-এ যথারীতি বাংলাদেশের উজ্জ্বল উপস্থিতি থাকবে। এ বছর মোট ৩৮ জন প্রদর্শক নিয়ে অংশগ্রহণ করবে বাংলাদেশ। যারা বিভিন্ন নতুনত্ব ও সৃজনশীলতা দিয়ে পণ্য খাতে দেশের সক্ষমতা প্রদর্শন করবে এবং বিশ্বব্যাপী ভোক্তা বাজারে এর ক্রমবর্ধমান রফতানি সম্ভাবনা প্রতিফলিত করবে।
অ্যাম্বিয়েন্তে ফ্রাঙ্কফুর্টে গ্লোবাল সোর্সিং, ডাইনিং, লিভিং, গিভিং, বিউটি অ্যান্ড বাথ, অফিস অ্যান্ড স্কুল সাপ্লাই, গিফট, প্যাকেজিং এবং ডেকোরেশনসহ পণ্যের ব্যাপক পরিসর রয়েছে, যা প্রদর্শনকারীরা আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে তুলে ধরে।
মোট ৩২টি বাংলাদেশী কোম্পানি সরাসরি প্রদর্শক হিসেবে অংশগ্রহণ করবে। যার মধ্যে রয়েছে ঢাকা হ্যান্ডিক্রাফটস, অপরাজেও, আরএফএল প্লাস্টিকস, প্রকৃতি, বিডি ক্রিয়েশন, এএসকে হ্যান্ডিক্রাফটস, আকিজ সিরামিকস, সিওআরআর-দ্য জুট ওয়ার্কস, প্রতীক সিরামিকস লিমিটেড, সান ট্রেড, থানাপাড়া সোয়ালোস ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি, হাজীগঞ্জ হ্যান্ডিক্রাফটস লিমিটেড, মনি জুট গুডস অ্যান্ড হ্যান্ডিক্রাফটস, পিপলস সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ, আর্টিসান হাউস বিডি, জুলহাশ হ্যান্ডিক্রাফটস, সৈয়দপুর এন্টারপ্রাইজ, প্যারাগন সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ, হ্যান্ড টাচ, কনএক্সপো, গোল্ডেন জুট প্রোডাক্ট, গ্লোবাল গোল্ডেন জুট অ্যান্ড ক্রাফটস, আর্টিসান সিরামিকস, আর্থ বাউন্ড, এএসআইএক্স বিডি, ক্রিয়েশন, ক্রাফটস ভিলেজেস, আভা ক্লে টাইলস বাংলাদেশ, পারিজাত ট্রেডিং, শাইনপুকুর সিরামিকস এবং এএস বাংলা জুটেক্স।
এছাড়াও, টেকসই এবং কারুশিল্প-ভিত্তিক উৎপাদন খাতের প্রতিনিধিত্ব করে এরকম আরো পাঁচটি প্রতিষ্ঠান রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) মাধ্যমে এ প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করবে। যার মধ্যে রয়েছে ইকো ক্রেভ, সোনালী আঁশ ইন্ডাস্ট্রিজ, জুট ক্রাফটস, মাফ ক্রাফট বিডি এবং তারাঙ্গো।
অ্যাম্বিয়েন্তে ফ্রাঙ্কফুর্টকে বাংলাদেশী রফতানিকারকদের জন্য ইউরোপীয় এবং বৈশ্বিক বাজারের সাথে সম্পৃক্ততা জোরদার করতে, ব্র্যান্ডের দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি করতে, টেকসই এবং কারিগরের হাতে তৈরি পণ্যের প্রচার করতে এবং বিশ্বব্যাপী ভোক্তা, বাজার ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনার সাথে সেতুবন্ধনের একটি কৌশলগত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বাসস



