বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো: শরীফুল আলম বলেছেন, খাল খনন কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃষিতে সেচ সুবিধা বাড়বে এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ব্যবহার কমে কৃষি উৎপাদনের খরচ হ্রাস পাবে। এতে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সারাদেশের মতো কিশোরগঞ্জেও খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর ফলে পানির প্রাকৃতিক প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষকদের সেচ সুবিধা নিশ্চিত হবে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ব্যবহার কমলে কৃষি উৎপাদনের খরচও কমবে।’
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে কিশোরগঞ্জের নিকলি উপজেলার আড়িবিল খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী না হলে উন্নয়ন কেবল কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকে। সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে যুগান্তকারী নানা পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে।’
সরকারের বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি ইতোমধ্যে চালু হয়েছে এবং এর মাধ্যমে কিশোরগঞ্জের এক হাজারের বেশি পরিবার আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে। এছাড়া ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা চালু করা হয়েছে এবং আগামী এপ্রিলে কৃষক কার্ড চালু করা হবে। এতে চাষি, খামারি, পাটচাষি ও রেশম চাষিরা উপকৃত হবেন।
তিনি আরো জানান, সরকার ইতোমধ্যে প্রায় ১২ লাখ কৃষকের এক হাজার ৫০ কোটি টাকার সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফ করেছে।
পরে প্রতিমন্ত্রী মো: শরীফুল আলম আনুষ্ঠানিকভাবে আড়িবিল খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন এবং কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবালসহ জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মকর্তা এবং বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বাসস


