জাতীয় পুরস্কার সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি পুনর্গঠন করে গেজেট প্রকাশ

জাতীয় পুরস্কার প্রদানের লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে আসা প্রস্তাব যাচাই-বাছাই ও সুপারিশ করার জন্য এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
জাতীয় পুরস্কার সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি পুনর্গঠন করে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার
জাতীয় পুরস্কার সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি পুনর্গঠন করে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার |ইন্টারনেট

‘জাতীয় পুরস্কার সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ পুনর্গঠন করে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। জাতীয় পুরস্কার প্রদানের লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে আসা প্রস্তাব যাচাই-বাছাই ও সুপারিশ করার জন্য এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

১০ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটির আহ্বায়ক মনোনীত হয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) মো: হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কমিটি বিষয়ক অধিশাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনটি গতকাল বুধবার রাতে গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

পুনর্গঠিত এ কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী মো: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

এছাড়া, সদস্য হিসেবে আরো রয়েছেন রেলপথ এবং নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো: রাজিব আহসান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো: নুরুল হক। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীও পদাধিকারবলে এ কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

কমিটিকে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও কারিগরি সহায়তা দিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবসহ স্বরাষ্ট্র, অর্থ, তথ্য, বাণিজ্য, সংস্কৃতি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বা সিনিয়র সচিবগণ থাকবেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে এবং সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবে।

প্রজ্ঞাপনে কমিটির জন্য তিনটি প্রধান কাজ নির্ধারণ করা হয়েছে :

১) জাতীয় পুরস্কার প্রদানের লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা বিভাগ থেকে পাওয়া প্রস্তাবসমূহ পরীক্ষা করা।

২) বিভিন্ন জাতীয় পুরস্কারের ক্রম নির্ধারণ এবং প্রয়োজনে পরিবর্তনের জন্য সুপারিশ প্রদান।

৩) নতুন কোনো জাতীয় পুরস্কার প্রবর্তনের প্রস্তাব পরীক্ষা করা এবং সে বিষয়ে সরকারের কাছে সুপারিশ পেশ করা।

এ কমিটি গঠনের ফলে গত ২ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে জারি করা আগের প্রজ্ঞাপনটি বাতিল বলে গণ্য হবে। প্রজ্ঞাপনটি অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে।