রেজিস্ট্রেশন (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ জারি

অধ্যাদেশের সংশোধনীতে বলা হয়েছে, মূল আইনের ২৬ নম্বর ধারায় উল্লিখিত ‘ফি’ শব্দটির পরিবর্তে এখন থেকে ‘ফি, কর, পরিষেবা চার্জ বা শুল্ক, যা প্রযোজ্য’ শব্দগুলো প্রতিস্থাপিত হবে। এর ফলে দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের সংজ্ঞা ও পরিধি আরো সুনির্দিষ্ট ও বিস্তৃত হলো।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় |নয়া দিগন্ত গ্রাফিক্স

রেজিস্ট্রেশন আইনের আধুনিকায়ন এবং দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ‘নিবন্ধন (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে গত ৫ ফেব্রুয়ারি এ সংক্রান্ত গেজেট বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশিত হয়েছে।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মো: রেজাউল করিম এ তথ্য জানান।

এ অধ্যাদেশটি ‘নিবন্ধন (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ নামে অভিহিত হবে।

রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ১৯০৮ সালের মূল রেজিস্ট্রেশন আইন অধিকতর সংশোধনকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ জারি করেন। যা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে।

অধ্যাদেশের সংশোধনীতে বলা হয়েছে, মূল আইনের ২৬ নম্বর ধারায় উল্লিখিত ‘ফি’ শব্দটির পরিবর্তে এখন থেকে ‘ফি, কর, পরিষেবা চার্জ বা শুল্ক, যা প্রযোজ্য’ শব্দগুলো প্রতিস্থাপিত হবে। এর ফলে দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের সংজ্ঞা ও পরিধি আরো সুনির্দিষ্ট ও বিস্তৃত হলো।

মূল আইনের ৬৮ নম্বর ধারায় একটি নতুন শর্ত (প্রোভিসো) যুক্ত করা হয়েছে। অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো দলিল নিবন্ধনের সময় নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা ‘সৎ বিশ্বাসে’ কাজ করেন, তবে পরবর্তী সময়ে কোনো ফি, কর বা শুল্ক বকেয়া ধরা পড়লে তার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হবেন না। ওই বকেয়া অর্থ দলিলের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর কাছ থেকে আদায় করা হবে, যাদের এ অর্থ পরিশোধ করার কথা ছিল।’ বাসস