তাহসিনা রুশদীর

নিখোঁজ ইলিয়াস আলীর প্রতি মানুষের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চাই

ইলিয়াস আলী গুম হওয়ার পরে বেগম খালেদা জিয়া আমাকে এই এলাকায় কাজ করার জন্য বলেছেন। এরপর থেকে আমি বিশ্বনাথ-ওসমানীনগরের মানুষের জন্য কাজ শুরু করেছি।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মিনী মোছা: তাহসিনা রুশদীর
এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মিনী মোছা: তাহসিনা রুশদীর |ইন্টারনেট

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সরকারের হাতে গুমের শিকার বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মিনী মোছা: তাহসিনা রুশদীর।

তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ মুনতাছির আলীর চেয়ে প্রায় ৮০ হাজার বেশি ভোট পেয়েছেন।

নির্বাচনে জয়লাভের পর গতকাল শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বাসসকে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় তাহসিনা রুশদীর এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রথমে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। আমার জয়টা একটা নামের ওপর দাঁড়িয়ে, সেটি হচ্ছে- এম ইলিয়াস আলী, আমার স্বামী। উনি ১৩ বছরের বেশি সময় ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। এই এলাকার মানুষের কাছে ইলিয়াস আলী একটি আবেগের নাম, উন্নয়নের নাম, ইলিয়াস আলী মানুষের আস্থার জায়গা। ভালোবাসা, বিশ্বাস এবং উন্নয়ন- এই তিনটি বিষয় তার সাথে মিশে আছে।

তাহসিনা রুশদীর বলেন, মানুষ তাকে এখনো অনেক ভালোবাসে। তার জায়গা থেকে আমার রাজনীতিতে আসা, এই এলাকার মানুষের পাশে এসে উন্নয়নের রাজনীতি শুরু করা। আমি ইলিয়াস আলীর প্রতি মানুষের আস্থার প্রতিদান দিতে চাই।

তিনি বলেন, একই সাথে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন এবং ইলিয়াস আলী গুম হওয়ার পরে উনি আমাকে এই এলাকায় কাজ করার জন্য বলেছেন। এরপর থেকে আমি বিশ্বনাথ-ওসমানীনগরের মানুষের জন্য কাজ শুরু করেছি।

উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে সিলেট বিভাগে দু’জন নারী সংসদ সদস্য পদে নির্বাচন করেছেন। একজন তাহসিনা রুশদীর এবং অন্যজন মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনের প্রার্থী সাদিয়া নওশীন। এর মধ্যে একমাত্র তাহসিনা রুশদীর লুনা বিজয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে এবার নির্বাচন করেছেন।

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তাহসিনা রুশদীর পেয়েছেন এক লাখ ১৭ হাজার ৯৫৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ মুনতাছির আলী পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৬৩৫ ভোট। জয়ে ভোটের ব্যবধান ৭৯ হাজার ৩২১ ভোট।

সূত্র : বাসস