সন্ত্রাসবিরোধী সংশোধনী বিল পাস

নিষিদ্ধই থাকছে আ’লীগের কার্যক্রম

এদিন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা মোট পাঁচটি অধ্যাদেশ বিল পাস করা হয়। এর মধ্যে ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ নামে এই বিলটিও রয়েছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
অধিবেশন চলাকালীন জাতীয় সংসদ ভবনের ভেতরকার দৃশ্য
অধিবেশন চলাকালীন জাতীয় সংসদ ভবনের ভেতরকার দৃশ্য |ফাইল ছবি

জাতীয় সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল-২০২৬ পাস হয়েছে। এর ফলে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা সোয়া ১২টার দিকে বিলটি পাস হয়। সংসদ অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সন্ত্রাসবিরোধী সংশোধন বিল ২০২৬ উত্থাপন করলে সর্বসম্মতভাবে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

এদিন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা মোট পাঁচটি অধ্যাদেশ বিল পাস করা হয়। এর মধ্যে ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ নামে এই বিলটিও রয়েছে।

বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ২০২৫ সালের ১১ মে ‘সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করা হয়েছিল। যেখানে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত ব্যক্তি বা সত্তা এবং তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার বিধান ছিল।

ওই অধ্যাদেশ জারির পরদিন আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে গেজেট জারি করা হয়েছিল। পাস হওয়া বিলে সেই অধ্যাদেশের বিষয়বস্তুতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।

পাস হওয়া অন্য চারটি বিল হলো— ‘সরকারি হিসাব নিরীক্ষা আইন, ২০২৬’, ‘প্রোটেকশন অ্যান্ড কনসারভেশন অব ফিস (এমেনমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’, ‘শেখ হাসিনা পল্লী উন্নয়ন একাডেমি জামালপুর (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ ও ‘পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাষণ কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’।

এর মধ্যে ‘শেখ হাসিনা পল্লী উন্নয়ন একাডেমি জামালপুর (সংশোধন) বিল’ পাসের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির নাম থেকে ‘শেখ হাসিনা’র নাম বিলুপ্ত করার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। বিলগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং মন্ত্রীর পক্ষে প্রতিমন্ত্রীরা উত্থাপন করেন। বিশেষ কমিটির কোনো সংশোধনী প্রস্তাব না থাকায় বিলগুলো সরাসরি পাসের প্রক্রিয়ায় যায়।