দেশে আড়াই লাখ টন জ্বালানি তেল মজুদ রয়েছে

জেট ফুয়েলের মজুদ রয়েছে ৪১ হাজার ৮৭৬ মেট্রিক টন, ফার্নেস অয়েল ৫৮ হাজার ৭৩৬ মেট্রিক টন, কেরোসিন নয় হাজার ৩৭৮ মেট্রিক টন এবং মেরিন ফুয়েল এক হাজার ১৫৩ মেট্রিক টন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় |নয়া দিগন্ত গ্রাফিক্স

দেশে বর্তমানে আড়াই লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল মজুদ রয়েছে, ফলে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে বলে জানিয়েছে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) পর্যন্ত সারাদেশে মোট দুই লাখ ৫৫ হাজার ১৮ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল মজুদ রয়েছে।

সচিবালয়ে জ্বালানি বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী।

তিনি জানান, মজুদ করা জ্বালানির মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছে ডিজেল-১ লাখ ২২ হাজার ৬৬০ মেট্রিক টন, যা মোট ব্যবহারের প্রায় ৬৩ শতাংশ। পর্যাপ্ত ডিজেল মজুদ থাকায় কৃষি, পরিবহন ও শিল্প খাতে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।

এছাড়া, অকটেনের মজুদ রয়েছে নয় হাজার ২১ মেট্রিক টন, যা ব্যক্তিগত যানবাহন ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ইঞ্জিনের চাহিদা পূরণে যথেষ্ট। পেট্রোলের মজুত ১২ হাজার ১৯৪ মেট্রিক টন।

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, জেট ফুয়েলের মজুদ রয়েছে ৪১ হাজার ৮৭৬ মেট্রিক টন, ফার্নেস অয়েল ৫৮ হাজার ৭৩৬ মেট্রিক টন, কেরোসিন নয় হাজার ৩৭৮ মেট্রিক টন এবং মেরিন ফুয়েল এক হাজার ১৫৩ মেট্রিক টন।

যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, বর্তমান মজুদ দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে পর্যাপ্ত। বাসস