পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

সব জাতিসত্তার ঐক্যে গড়ে উঠবে সম্প্রীতির নতুন বাংলাদেশ

‘পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সামাজিক উৎসবগুলো কেবল আনন্দ আয়োজনের মাধ্যম নয়, বরং এগুলো ঐতিহ্য, রীতিনীতি ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান |সংগৃহীত

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেছেন, সব জাতিসত্তার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় একটি নতুন ও সমৃদ্ধ সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদারের বাসভবনে আয়োজিত ‘বিজু-সাংগ্রাই-বৈসু-বিষু-বিহু-চাংক্রান-চাংলান’ উৎসব ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সামাজিক উৎসবগুলো কেবল আনন্দ আয়োজনের মাধ্যম নয়, বরং এগুলো ঐতিহ্য, রীতিনীতি ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের ১১টি জাতিগোষ্ঠী সম্প্রদায় অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে তাদের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসবগুলো পালন করছে। তবে অনেক জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে, যা উদ্বেগজনক। শিকড় ও সংস্কৃতি রক্ষায় এসব ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধার এখন সময়ের দাবি।

তিনি আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের উৎসবগুলো পারস্পরিক সম্প্রীতির প্রতীক। এই সাংস্কৃতিক ধারাকে আরো শক্তিশালী করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। বর্তমান সরকার দেশের পিছিয়ে পড়া সকল জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন এবং স্বকীয় সংস্কৃতি রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার। এ সময় রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীসহ সরকারি বিভিন্ন দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজু উৎসব উপলক্ষে মন্ত্রী পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সারাদেশের মানুষকে বাংলা নববর্ষ ও বিজুর মৈত্রীময় শুভেচ্ছা জানান। বাসস