স্থানীয়দের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও মজুরি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিদেশী বিশেষ ক্যাটাগরির কর্মীদের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে মালয়েশিয়া সরকার। তবে এ কড়াকড়ি বাংলাদেশীদের ওপর তেমন প্রভাব ফেলবে না বলে জানা গেছে।
চলতি বছরের ১ জুন থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এই নতুন নিয়মে তিনটি প্রফেশনাল ক্যাটাগরি ভিসার শর্তাবলীতে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে।
তবে সাধারণ বিদেশী কর্মী বা শ্রমিকদের জন্য এই শর্ত প্রযোজ্য নয়। যাদের ওপর এই শর্ত আরোপ হবে তারা হলেন- প্রফেশনাল ক্যাটাগরির ডাক্তার, নার্স, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, কোম্পানির পরিচালক, ম্যানেজার ইত্যাদি।
মোট শ্রমশক্তিতে বিদেশীদের হার ২০৩৫ সালের মধ্যে বর্তমানের ১৪ দশমিক ১ শতাংশ থেকে পাঁচ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এই ‘জাতীয় কৌশলগত পরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তবে সাধারণ ক্যাটাগরির শ্রমিক (পিএলকেএস) ভিসার নিয়ম আগের মতোই বহাল থাকবে।
নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, তিনটি প্রফেশনাল ক্যাটাগরিতেই ন্যূনতম বেতনের সীমা প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে।
ক্যাটাগরিগুলোর মধ্যে রয়েছে যাদের বেতন দুই লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত।
ক্যাটাগরি-১ (উচ্চপদস্থ ব্যবস্থাপনা) : এই স্তরের কর্মীদের ন্যূনতম মাসিক বেতন হতে হবে ২০ হাজার রিঙ্গিত বা তার বেশি। ক্যাটাগরি-২ (মধ্যম পর্যায়ের পেশাদার) : এই ক্যাটাগরিতে বেতনের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে মাসে ১০ হাজার থেকে ১৯ হাজার ৯৯৯ রিঙ্গিত। ক্যাটাগরি-৩ (দক্ষ কর্মী) : দক্ষ কর্মীদের ক্ষেত্রে মাসিক বেতন ছয় হাজার থেকে নয় হাজার ৯৯৯ রিঙ্গিতের মধ্যে হতে হবে।
উল্লেখ্য, গতকাল বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলোতে একটি সংবাদ দেখা গেছে যে, মালয়েশিয়ায় বিদেশী সব কর্মীর জন্য বড় দুঃসংবাদ বা কড়াকড়ি আরোপ, যা সঠিক নয়।
মালয়েশিয়া মাহশা ইউনিভার্সিটির পিএইচডি গবেষক বশির ইবনে জাফর বলেন, ‘নতুন এই শর্ত বাংলাদেশী সাধারণ শ্রমিকদের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না। তাছাড়া দেশটিতে প্রফেশনাল তিন ক্যাটাগরির ভিসাধারীর সংখ্যা খুবই কম।’


