২ মাস পার হলেও ববি ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি এখনো ঘোষণা করা হয়নি

নির্বাচনের পর একটি আংশিক কমিটি ঘোষণা করে, দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে। তবে সেই প্রতিশ্রুতির পর দুই মাসেরও বেশি সময় পার হয়ে গেলেও এখনো আলোর মুখ দেখেনি পূর্ণাঙ্গ কমিটি। দীর্ঘসূত্রিতার কারণে সাধারণ নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে।

মেহরাব হোসেন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

Location :

Barishal
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় |ফাইল ছবি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) ছাত্রদলকে গতিশীল ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে গত বছরের ৬ ডিসেম্বর উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল নির্বাচন। কেন্দ্রীয় কমিটির সরাসরি তত্ত্বাবধানে সেই নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক এই শীর্ষ তিন পদে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়।

নির্বাচনের পর একটি আংশিক কমিটি ঘোষণা করে, দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে। তবে সেই প্রতিশ্রুতির পর দুই মাসেরও বেশি সময় পার হয়ে গেলেও এখনো আলোর মুখ দেখেনি পূর্ণাঙ্গ কমিটি। দীর্ঘসূত্রিতার কারণে সাধারণ নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মী জানান, শীর্ষ দুই পদের নেতাদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও পদ ভাগাভাগি নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় কমিটি দিতে দেরি হচ্ছে। এর ফলে তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীদের মধ্যে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার আগ্রহ কমছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল কর্মী রাফি শিকদার বলেন, ‘বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল দেশের অন্যতম শক্তিশালী ইউনিট। কাউন্সিলের সময় বলা হয়েছিল, দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি হবে, কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তা হয়নি। এতে কর্মীদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে কোনো মতপার্থক্য আছে কি-না, আমরা জানি না। তবে সংগঠনকে গতিশীল রাখতে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার জোর দাবি জানাচ্ছি।’

সাধারণ সম্পাদক শান্ত ইসলাম আরিফ বলেন, ‘আমাদের মধ্যে কোনো দ্বন্দ্ব নেই। আমরা আসলে যাচাই-বাছাই করছি যাতে যারা দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন এবং জিয়ার আদর্শ লালন করেন, তারাই কমিটিতে স্থান পান। খসড়া তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।’

এ বিষয়ে ববি ছাত্রদল শাখা সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘খুবই শিগগিরই আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ পাবে। আমাদের মধ্যে কোনো বিভাজন নেই, নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেই আমরা খসড়া তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।’