এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজে শিক্ষকের শূন্যপদ ৬০ হাজার ২৯৫ : শিক্ষামন্ত্রী

শূন্যপদগুলো দ্রুত পূরণে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সরকারি কলেজগুলোতে প্রভাষক নিয়োগের প্রক্রিয়া ৪৫তম, ৪৬তম, ৪৭তম, ৪৯তম এবং ৫০তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে চলমান রয়েছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন |ইন্টারনেট

বর্তমানে সারাদেশে এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজগুলোতে মোট ৬০ হাজার ২৯৫টি শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

আজ বুধবার সংসদ অধিবেশনে এনসিপির সংসদ সদস্য মো: আবুল হাসনাতের (হাসনাত আবদুল্লাহ) এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সব মিলিয়ে এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজগুলোতে শিক্ষকের ৬০ হাজার ২৯৫টি পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া সরকারি কলেজগুলোতে বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের অধীনে ৬৬৬টি প্রভাষকের পদ শূন্য আছে। সম্প্রতি জাতীয়করণ করা কলেজগুলোতে দুই হাজার ৪১০টি নন-ক্যাডার প্রভাষকের পদ খালি রয়েছে।

তিনি জানান, বেসরকারি এমপিওভুক্ত কলেজগুলোতে এক হাজার ৩৪৯টি অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদ বর্তমানে শূন্য। পাশাপাশি, এমপিওভুক্ত কলেজগুলোতে এক হাজার ৩৪৪টি শূন্য পদের বিপরীতে বর্তমানে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এহসানুল হক মিলন বলেন, শূন্যপদগুলো দ্রুত পূরণে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সরকারি কলেজগুলোতে প্রভাষক নিয়োগের প্রক্রিয়া ৪৫তম, ৪৬তম, ৪৭তম, ৪৯তম এবং ৫০তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে চলমান রয়েছে।

অন্যদিকে, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক প্রক্রিয়ায় এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ লক্ষ্যে শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহের জন্য ২০২৬ সালের ২৯ মার্চ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পদগুলো পূরণে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

মন্ত্রী আরো জানান, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধানদের ১১ হাজার ১৫১টি শূন্য পদ পূরণের জন্য অষ্টম এনটিআরসিএ নিয়োগ পরীক্ষা, ২০২৬ (সংশোধিত)-এর আয়োজন করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

চলমান এসব উদ্যোগের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে শূন্য পদগুলো পূরণ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।