শিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটিতে জায়গা পেলেন বাকৃবির ২ ছাত্রনেতা

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ২০২৬ সেশনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারিয়েট ও কার্যকারী পরিষদ গঠিত হয়েছে।

মো: লিখন ইসলাম, বাকৃবি
শিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটিতে জায়গা পেলেন বাকৃবির ২ ছাত্রনেতা
শিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটিতে জায়গা পেলেন বাকৃবির ২ ছাত্রনেতা |নয়া দিগন্ত

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ২০২৬ সেশনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারিয়েট ও কার্যকারী পরিষদ গঠিত হয়েছে। কমিটিতে গবেষণা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মো: ফখরুল ইসলাম।

এছাড়া ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকারী পরিষদের সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বাকৃবি শাখা ছাত্রশিবিরের বর্তমান সভাপতি আবু নাছির ত্বোহা।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেখানে ৩০ সদস্য বিশিষ্ট সেক্রেটারিয়েট এবং ৬২ জনকে কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়।

মো: ফখরুল ইসলাম ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত বাকৃবি শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের জুলাই থেকে কেন্দ্রীয় গবেষণা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

অন্যদিকে আবু নাছির ত্বোহা ২০২৫ সালের জুলাই থেকে বাকৃবি শাখা সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি এক বছর বাকৃবি শাখার সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

মো: ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। দায়িত্ব আমাদের কাছে কোনো আনন্দের জিনিস না, দায়িত্ব আমাদের কাছে আমানত। আমরা বিশ্বাস করি আখেরাতে আল্লাহর কাছে দায়িত্বের ব্যাপারে জবাবদিহিতা করতে হবে। আমি আল্লাহর কাছে সাহায্য চাই যেন এই দায়িত্ব পালন করা আমার জন্য সহজ হয়ে যায়। দেশ ও ইসলামের স্বার্থে নতুন নতুন গবেষণামূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণের জন্য পরিকল্পনা ও কাজ করবো ইনশা-আল্লাহ।’

আবু নাছির ত্বোহা বলেন, ‘এটি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গর্বের যে বাকৃবি থেকে কেন্দ্রীয় দায়িত্ব পালন করতে হবে। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতিটি সদস্য আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাজ করেন। কেন্দ্রীয় যেকোনো সিদ্ধান্ত ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে পরামর্শ প্রদান করবো ইনশা আল্লাহ। বাকৃবির প্রতিটি শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, অধিকার ও সম্ভাবনাই আমাদের অঙ্গীকার। আমি বিশ্বাস করি, শিক্ষার্থীদের ঐক্য ও চারিত্রিক শক্তিই পরিবর্তনের মূল চালিকা। তাই বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)-এর অধিকার আদায় থেকে শুরু করে দেশের কৃষি অঙ্গনের অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখার স্বচেষ্টায় থাকবো, ইনশাআল্লাহ।