বেরোবি প্রতিনিধি
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) উৎসবমুখর পরিবেশে ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশাল ‘গণইফতার’। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ পুরো বেরোবি পরিবারকে সাথে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গণইফতারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই গণইফতারের আয়োজন করা হয়েছে এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের সেন্ট্রাল ফুটবল খেলার মাঠে গণইফতারের জন্য তৈরি করা হচ্ছে বিশাল স্টেজ।
গণইফতারে অংশ নেয়া প্রত্যেকের ইফতারের খাবার নিশ্চিত করতে অনন্য উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ক্যাম্পাসের একজন শিক্ষার্থীও যেন ইফতার থেকে বঞ্চিত না হয় এবং প্রত্যেকের হাতে যেন মানসম্মত খাবার পৌঁছে দিতে বিশ্ববিদ্যালয় ‘টোকেন সিস্টেম’ চালু করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই পদ্ধতির মাধ্যমে ইফতারের সুষ্ঠু বন্টন নিশ্চিত করা হবে। ফলে শিক্ষক-শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে কর্মকর্তা-কর্মচারী—কেউই তালিকার বাইরে থাকবে না। এই সুশৃঙ্খল ব্যবস্থার কারণে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে না। মূলত, শেষ ব্যক্তিটি পর্যন্ত যাতে ইফতার করতে পারেন, সেই নিশ্চয়তা দিতেই এই টোকেন পদ্ধতির বাস্তবায়ন।
এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) ড. মো: শওকত আলী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবারের প্রত্যেকে যাতে একসাথে ইফতার করতে পারে সেই ব্যবস্থা করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সদস্যকে ইফতার করানো আমাদের দায়িত্ব। এবার আমরা প্রত্যেক ডিপার্টমেন্টের বিভাগীয় প্রধানদের সাথে মিটিং করে এই সিদ্বান্ত নিয়ে আমরা এটা আয়োজন করছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী যদি আয়োজন থেকে বাদ পড়ে এটা আমার খুব খারাপ লাগবে। ২২ টি ডিপার্টমেন্টের ২২ টা টেবিল থাকবে প্রত্যেকে টোকেন দেয়ার মাধ্যমে তাদের খাবার নিয়ে যাবে কোন হৈচৈ হবে না। মেয়েদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা থাকবে এবং বিএনসিসির মাধ্যমে শিক্ষক কর্মকর্তাদের খাবার পৌঁছে দেয়া হবে।
উল্লেখ্য, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে এই প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সদস্যদের জন্য গণইফতার আয়োজন করতে করতে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের আনসার পুলিশ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সবাই একসাথে ইফতার করবে।


