বাউবি ও বিপসট যৌথভাবে চালু করল আরবি ভাষার ডিপ্লোমা প্রোগ্রাম

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিং (বিপসট) ‘ডিপ্লোমা ইন অ্যারাবিক ল্যাঙ্গুয়েজ প্রফিসিয়েন্সি’ প্রোগ্রাম চালু করার জন্য একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে।

মো: আজিজুল হক, গাজীপুর মহানগর

Location :

Gazipur
বাউবি ভিসির ঢাকাস্থ কার্যালয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান
বাউবি ভিসির ঢাকাস্থ কার্যালয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান |নয়া দিগন্ত

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিং (বিপসট) ‘ডিপ্লোমা ইন অ্যারাবিক ল্যাঙ্গুয়েজ প্রফিসিয়েন্সি’ প্রোগ্রাম চালু করার জন্য একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে।

বুধবার (১১ মার্চ) বাউবি ভিসির ঢাকাস্থ কার্যালয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

বাউবির পক্ষে সমঝোতায় স্বাক্ষর করেন রেজিস্ট্রার টি এম আহমেদ হুসেইন এবং বিপসটের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ডেপুটি কমান্ডান্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ হাফিজ মাহমুদ, এসজিপি, এনডিইউ, পিএসসি।

প্রধান অতিথি বাউবির ভিসি এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেশন প্রদানে বাউবি অ্যাকাডেমিক স্বীকৃতি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রদান করবে। বিপসট পরিচালিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে বাউবির অ্যাকাডেমিক সহযোগিতা থাকবে। সফল অংশগ্রহণকারীরা বাউবি থেকে সনদ পাবেন।’

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই যৌথ উদ্যোগ ভবিষ্যতে অ্যাকাডেমিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করবে।

বিশেষ অতিথি প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন এবং বিপসটের ডেপুটি কমান্ডান্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ হাফিজ মাহমুদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদ বলেন, ‘২০০৮ সাল থেকে বিপসট বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের আন্তর্জাতিক পরিবেশে কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা প্রদান করছে। আরবি ভাষার ডিপ্লোমা প্রোগ্রাম এই প্রচেষ্টাকে আরো শক্তিশালী করবে।’

অনুষ্ঠানে বিপসটের জ্যেষ্ঠ প্রশিক্ষক কর্নেল মো: শাহারিয়ার মোর্শেদ, কোর্স সমন্বয়কারী মো: আবুল হাসান এবং বাউবির সামাজিক বিজ্ঞান, মানবিক ও ভাষা স্কুলের ডিন অধ্যাপক তানভীর আহসানসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাউবি ও বিপসট যৌথভাবে আরবি ভাষা শিক্ষার প্রসার, দক্ষ মানবসম্পদ গঠন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।