ঢাকা ও ওয়াশিংটন আশাবাদ ব্যক্ত করেছে, আসন্ন বছরগুলোতে সকল খাতে সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। উভয়পক্ষ দীর্ঘস্থায়ী দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্ব আরো জোরদার করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সাথে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বৈঠকে উভয়পক্ষ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করে, যা পারস্পরিক শ্রদ্ধা, অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং শান্তি ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতির আলোকে প্রতিষ্ঠিত।
আলোচনায় উভয়পক্ষ বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, উন্নয়ন অংশীদারিত্ব, অভিবাসন এবং জনগণের মধ্যে বিনিময়সহ দু’দেশের সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলো পর্যালোচনা করেছে।
মার্চের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি পল কাপুরের ঢাকা সফরের বিষয়ও আলোচনায় উঠে আসে, যা দু’দেশের মধ্যে চলমান উচ্চপর্যায়ের সম্পৃক্ততার প্রতিফলন।
এছাড়া, রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশে চলমান মার্কিন মানবিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য অব্যাহত রাজনৈতিক সহায়তা কামনা করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বৈঠকের আগে রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সাথেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বাসস



