বাংলাদেশ ও ভারত বিভিন্ন খাতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করেছে। ভারতের নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্গঠনের লক্ষ্য নিয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে পারস্পরিক সম্মান ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নেয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বৈঠকে অংশ নেন।
সেখানে উভয়পক্ষ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পর্যালোচনা করেন এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেন।
এস জয়শঙ্কর তার ভেরিফাইড এক্স অ্যাকাউন্টে দেয়া বার্তায় বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও তার প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানাতে পেরে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করছেন।
তিনি আরো জানান, বৈঠকে দুই দেশ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয় নিয়েও মতবিনিময় করেছে এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়ে সম্মত হয়েছে।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর এবং ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো: রিয়াজ হামিদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।
এ সফরটি বিএনপি সরকারের প্রথম উচ্চপর্যায়ের ভারত সফর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মঙ্গলবার দিল্লিতে পৌঁছান। সফরকালে তিনি ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি এবং বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গয়ালের সাথে পৃথক বৈঠক করবেন।
দিল্লি সফর শেষে তিনি বৃহস্পতিবার সকালে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সাথে একসাথে মরিশাসে রওনা দেবেন, যেখানে তারা নবম ভারত মহাসাগর সম্মেলনে অংশ নেবেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এস এম মাহবুবুল আলম মঙ্গলবার বলেন, বাংলাদেশ স্থিতিশীলতা এবং পারস্পরিক আস্থা, মর্যাদা ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেবে।
তিনি আরো বলেন, এ সফর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-ভারত সহযোগিতাকে আরো কার্যকর ও টেকসই পর্যায়ে নিয়ে যেতে সহায়তা করবে। বাসস



