গত মার্চ মাসে দেশের সীমান্ত এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১৬৫ কোটি ৭৬ লক্ষাধিক টাকার চোরাচালান পণ্যসামগ্রী জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বুধবার বিজিবি সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো: শরীফুল ইসলাম ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জব্দকৃত চোরাচালান দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ৪৬৫ গ্রাম স্বর্ণ, ১৬ হাজার ৬৭৮টি শাড়ি, ৬ হাজার ৫৬টি থ্রিপিস/শার্টপিস/চাদর/কম্বল, ৬ হাজার ৯৯৪টি তৈরি পোশাক, ৭৭২ মিটার থান কাপড়, ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৮৬৪টি কসমেটিক্স সামগ্রী, ৯ হাজার ২৩৯ পিস ইমিটেশন গহনা, ৬৫ লাখ ২ হাজার ৪৫৭টি আতশবাজি, ৩ হাজর ৮২৯ ঘনফুট কাঠ, ৬ হাজার ২৫৯ কেজি চা পাতা, ২ হাজার ৯৮২ কেজি সুপারি, ৮ হাজার ৫৯০ কেজি কয়লা, ৭ হাজার ৯০ ঘনফুট পাথর, ২৩০ ঘনফুট বালু, ৩৮২টি মোবাইল, ১১ হাজার ৯০০ পিস মোবাইলের ডিসপ্লে, ৭০ হাজার ৮১টি চশমা, ৫৩ হাজার ৯৮৮ কেজি জিরা, ২০ হাজার ৭২৩ কেজি চিনি, ৯ হাজার ৯৬১ প্যাকেট বিভিন্ন প্রকার খাদ্য সামগ্রী, ২ হাজার ৩০৯ কেজি পিয়াজ, ১ হাজার ৮৭৯ কেজি রসুন, ১ হাজার ৯৪০ কেজি সার, ১ হাজার ৬১৪ প্যাকেট কীটনাশক, ২ লাখ ৯ হাজার ২১ পিস চকোলেট, ১১টি কষ্টি পাথরের মূর্তি, ১টি বেলে পাথরের মূর্তি, ৮টি ট্রাক/কাভার্ডভ্যান, ৪২টি ট্রাক্টর/চাঁদের গাড়ি, ১৭টি পিকআপ, ৩টি প্রাইভেটকার/বাস, ২টি ট্রলি/মাইক্রোবাস, ২০টি সিএনজি/ইজিবাইক, ৪১টি মোটরসাইকেল এবং ২২টি বাইসাইকেল/ভ্যান।
উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ১টি এসএমজি, ১টি বিদেশী/দেশীয় পিস্তল, ১৩টি ম্যাগাজিন, ৩৫ রাউন্ড গোলাবারুদ, ২টি মাইন ও ৩টি অন্যান্য অস্ত্র।
এছাড়াও গত মাসে বিজিবি কর্তৃক বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ১১ লাখ ২৫ হাজার ৯৭৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৮৪৫ গ্রাম হেরোইন, ১২ বোতল এলএসডি, ২ হাজার ৪৫ বোতল ফেনসিডিল, ১ কেজি ৭৯০ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস, ৮ হাজার ১২৯ বোতল বিদেশী মদ, ১৭০.৫ লিটার বাংলা মদ, ২ হাজার ৩৬৮ বোতল ক্যান বিয়ার, ১ হাজার ১৩৩ কেজি ৪৫০ গ্রাম গাঁজা, ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৪০ প্যাকেট বিড়ি ও সিগারেট, ১ লাখ ৮৩ হাজার ৬৬১টি নেশাজাতীয় ট্যাবলেট/ইনজেকশন, ৪ হাজার ৬৬৫ বোতল ইস্কাফ সিরাপ, ২ হাজার ৯৬৮টি অ্যানেগ্রা/সেনেগ্রা ট্যাবলেট, ৩৬ হাজার ৮৬০ পিস মদ তৈরির বড়ি ও ২১ লাখ ৪৪ হাজার ১৫২ পিস বিভিন্ন প্রকার ওষুধ/ট্যাবলেট।
সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক পাচার ও অন্যান্য চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে ১১২ জন চোরাচালানী এবং অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের দায়ে ৮২ জন বাংলাদেশী নাগরিক, ৯ জন ভারতীয় নাগরিক ও ৩১৭ জন মিয়ানমার নাগরিককে আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।



