ভোলাতেও হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। গত এক দিনে হামের লক্ষণ নিয়ে ভোলার দুই হাসপাতালে ১৫ শিশু ভর্তি হয়েছে। যাদের মধ্যে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন ও ভোলার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ১৪ জন।
বৃহস্পতিবারের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্ত শিশুদের নমুনা সংগ্রহ করে শিশু ওয়ার্ডের আইসোলেশন ইউনিটে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সেখানে তাদের চিকিৎসক ও নার্সরা সেবা দিচ্ছে। শিশুদের মধ্যে হামের প্রদুর্ভাবে অভিভাবকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।
রোগীর অভিভাবকরা বলেন, এর আগে হামের প্রাদুর্ভাব ছিল না, কিন্তু এখন হাম নিয়ে আমরা ভীষণ চিন্তিত। চিকিৎসকরা সেবা ও পরামর্শ দিচ্ছেন। নমুনা সংগ্রহ হলেও রিপোর্ট এখনো হাতে পাইনি।
জেলা স্বাস্থ্যবিভাগ জানায়, হাম মোকাবেলায় প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে জেলার ছয়টি হাসপাতালে আইসোলেশন ইউনিট খোলা হয়েছে। প্রাথমিক ধাপে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ১৪টি শয্যা।
এদিকে রোগীদের চাপ বাড়লে ইউনিট ও শয্যা বাড়ানো হবে জানিয়েছেন ভোলার সিভিল সার্জন ডা: মনিরুল ইসলাম।
ডা: মনিরুল ইসলাম বলেন, হাম মোকাবেলায় আমাদের প্রস্তুতি চলছে, সব হাসপাতালে আইসোলেশন ইউনিট খোলা হয়েছে।
ভোলার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: তৈয়বুর রহমান জানান, রোগীদের সেবা দিতে চিকিৎসক ও নার্স প্রস্তুত রয়েছে, এখনো কেউ আক্রান্ত হয়নি। নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সদর হাসপাতালও রোগীর জন্য প্রস্তুত আছে।
জেলা স্বাস্থ্যবিভাগে দেয়া তথ্য মতে চলতি বছর তিন মাসে জেলায় চারজনের হাম পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে, যাদের মধ্যে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মারা যাওয়া দুই শিশু ঢাকার বাসিন্দা, তবে তাদের গ্রামের বাড়ি ভোলা। এ দুই শিশুই ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এদের মধ্যে এক শিশু বোরহানউদ্দিন উপজেলার ও অন্যজন লালমোহন উপজেলার।



