ফরিদপুর-৪ আসনে জামানত হারালেন ৫ প্রার্থী

যারা জামানত ফেরত পাবেন না, তাদের টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়া হবে।

এটিএম ফরহাদ নান্নু, ভাঙ্গা (ফরিদপুর)

Location :

Faridpur
মো: মজিবুর হুসাইন, রায়হান জামিল, আতাউর রহমান কালু, মো: ইচাহাক চোকদার ও মাওলানা মিজানুর রহমান মোল্লা
মো: মজিবুর হুসাইন, রায়হান জামিল, আতাউর রহমান কালু, মো: ইচাহাক চোকদার ও মাওলানা মিজানুর রহমান মোল্লা |নয়া দিগন্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা-সদরপুর-চরভদ্রাসন) আসনে মোট আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এরমধ্যে পাঁচজন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী যদি তার নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের ১২ দশমিক ৫ শতাংশের ভোট কম পান, তাহলে তার জমা দেয়া জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। যা সরকারি কোষাগারে জমা হবে।

ফরিদপুরের ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন নিয়ে গঠিত ফরিদপুর-৪ আসনে বিজয়ী ও নিকটতম দুইজন প্রার্থী বাদে অন্য পাঁচজন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এ আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে দুই লাখ ৭৪ হাজার ৯৯২টি। জামানত রক্ষা করতে ভোটের প্রয়োজন ছিল ৩৪ হাজার ৩৭৪টি ভোট। এ আসনের বিজয়ী প্রার্থী বিএনপির শহিদুল ইসলাম খাঁন বাবুল এবং নিকটতম দুই প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা মো: সরোয়ার হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এ এ এম মুজাহিদ বেগের জামানত রক্ষা পেয়েছে।

জামানত জব্দ হয়েছে বাকি পাঁচ প্রার্থীর। এরমধ্যে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির আতাউর রহমান (কাস্তে) পেয়েছেন ৭১৪ ভোট, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মিজানুর রহমান (রিকশা) পেয়েছেন এক হাজার ১১৮ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মাদ মজিবুর হোসাইন (ঘোড়া) পেয়েছেন এক হাজার ৭০৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো: ইসাহাক চোকদার (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ হাজার ৪৯৮ এবং জাতীয় পার্টির রায়হান জামিল (লাঙ্গল) পেয়েছেন ৫৫০ ভোট।

এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো: কামরুল হাসান মোল্লা বলেন, ‘ফরিদপুর-৪ আসনে আটজন প্রার্থীর মধ্যে অনেক প্রার্থী অনেক কম ভোট পেয়েছেন। তাদের মধ্যে যারা জামানত ফেরত পাবেন না, তাদের টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়া হবে।’