ধর্মমন্ত্রী

মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজের নৈতিক দায়িত্ব

‘মুক্তিযোদ্ধারা যখন কোনো প্রয়োজনে অফিসে আসবেন, ওনাদেরকে যথাযথ সম্মান ও প্রাধান্য দিতে হবে।’

নাজিম উদ্দিন, মুরাদনগর (কুমিল্লা)

Location :

Muradnagar
বক্তব্য রাখছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ
বক্তব্য রাখছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ |নয়া দিগন্ত

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বলেছেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। তাদের যথাযথ সম্মান নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজের নৈতিক দায়িত্ব।’

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের কারণেই আজকে আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি। যার কারণে আজকে আমি এমপি-মন্ত্রী হতে পেরেছি। শুধু দিবসে নয়, ওনাদেরকে প্রতিটা মুহূর্তে সম্মান দিতে হবে।’

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে কুমিল্লার মুরাদনগরে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। পরে দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নবনির্মিত উপজেলা পরিষদের মুক্তিযোদ্ধা হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধারা যখন কোনো প্রয়োজনে অফিসে আসবেন, ওনাদেরকে যথাযথ সম্মান ও প্রাধান্য দিতে হবে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ বি এম সারোয়ার রাব্বীর সভাপতিত্বে ও সমাজসেবা কর্মকর্তা বরুণ চন্দ্র দে’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বীর মুক্তিযোদ্ধারা মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন তাদের বীরত্বপূর্ণ দুঃসাহসিক অভিযানের বর্ণনাসহ বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুরাদনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ কে এম কামরুজ্জামান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাকিব হাছান খাঁন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পাভেল খান পাপ্পু, মুরাদনগর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, বাঙ্গরা বাজার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হারুনুর রশিদসহ স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান এবং তাদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি অসহায় ও নিম্নবিত্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মন্ত্রীর পক্ষ থেকে পাঁচ লাখ টাকার আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।