পাকুন্দিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে সংসদ সদস্য মো: জালাল উদ্দিন

এ সময় তিনি হাসপাতালের সব বিভাগ ঘুরে দেখেন। হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন।

মুহিব্বুল্লাহ বচ্চন, পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ)

Location :

Kishoreganj
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে সংসদ সদস্য
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে সংসদ সদস্য |নয়া দিগন্ত

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিদর্শন করেছেন কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো: জালাল উদ্দিন।

রোববার (১২ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে তিনি হাসপাতালটি পরিদর্শনে আসেন। এ সময় তিনি হাসপাতালের সব বিভাগ ঘুরে দেখেন। হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন।

জানা গেছে, ৫০ শয্যাবিশিষ্ট পাকুন্দিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে দীর্ঘদিন যাবৎ চিকিৎসক, ওষুধ ও সরঞ্জাম সঙ্কট থাকায় উপজেলার প্রায় চার লাখ মানুষ প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। এ নিয়ে একাধিক গণমাধ্যমে সংবাদ ছাপা হয়। সম্প্রতি কয়েকজন চিকিৎসক যোগদান করলে হাসপাতালে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন গড়ে ৮০০ থেকে এক হাজার মানুষ বহির্বিভাগে সেবা নিতে আসেন। হাসপাতালটিতে ৩১ জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও বর্তমানে মাত্র ১৪ জন চিকিৎসক রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। তাছাড়া জনবলের অভাবে বেশ কয়েকদিন যাবৎ সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধ রয়েছে।

পাকুন্দিয়া স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: নূর-এ-আলম খান বলেন, ‘জনসংখ্যার তুলনায় হাসপাতালটির আসন সংখ্যা অত্যন্ত কম। মাত্র ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটিতে রোগীদের চাপ সামলাতে আমাদের ডাক্তাররা নিয়মিত হিমশিম খাচ্ছেন। মানবিক দিক বিবেচনায় সবসময় ভর্তি করা রোগীর সংখ্যা আসন অনুযায়ী বেশি থাকে। তাছাড়াও হাসপাতালটি ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা খুব জরুরি। এমপি মহোদয়কে হাসপাতালের সব সমস্যার কথা বলা হয়েছে এবং তিনি সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখে গেছেন। খুব দ্রুত প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিতের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।’

এ ব্যাপারে মো: জালাল উদ্দিন বলেন, ‘দীর্ঘদিন যাবৎ মানুষের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালটি আকস্মিক পরিদর্শন করে চিকিৎসক, ওষুধ ও যন্ত্রপাতি সঙ্কট দেখা যায়। তাছাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটিকে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণসহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন খুব জরুরি। দ্রুত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির সব সমস্যা নিরসনে কাজ শুরু করা হবে।’