মিয়া গোলাম পরওয়ার

সহিংসতা এড়াতে নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেয়া হয়েছে

‘ঘোষিত ফল অনুযায়ী সামান্য ভোটের ব্যবধানে তিনি পিছিয়ে থাকলেও ৬ হাজার ৫০০ ব্যালট বাতিল করা হয়েছে, যার বড় অংশই তার পক্ষে ছিল। অনেক ক্ষেত্রে ভাঁজ করার সময় কালি লেগে যাওয়া বা আঙুলের টিপের কালি ছড়িয়ে পড়াকে অজুহাত করে ভোট বাতিল করা হয়েছে।’

এরশাদ আলী, খুলনা ব্যুরো

Location :

Khulna
ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার
ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার |ছবি : নয়া দিগন্ত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিরোধী দলের প্রার্থীদের হারানো হলেও দেশের স্বার্থে সহিংসতা এড়াতে ফলাফল মেনে নেয়া হয়েছে।

সরকারের সাম্প্রতিক বিভিন্ন পদক্ষেপকে গণতান্ত্রিক চেতনার পরিপন্থী অভিহিত করে তিনি বলেন, জুলাই সনদের ভিত্তিতে সংস্কার ও অন্তর্বর্তীকালীন নির্বাচনী ব্যবস্থা করতে হবে।

মঙ্গলবার (৩ মাচ) বিকেলে খুলনার শিরোমণিস্থ খানজাহান আলী আদর্শ মহাবিদ্যালয় ময়দানে খানজাহান আলী থানা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় মিয়া গোলাম পরওয়ার আরো বলেন, ছয়টি সিটি করপোরেশনে নির্বাচন ঘোষণা না করে প্রশাসক নিয়োগ, বিভিন্ন সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক পদে পরিবর্তন এবং সংসদ অধিবেশন শুরুর আগেই সিদ্ধান্ত নেয়ার মাধ্যমে দলীয় প্রভাব বিস্তার করা হচ্ছে।

এসব পদক্ষেপ থেকে সরে এসে সংসদে আলোচনার মাধ্যমে ঐকমত্যে পৌঁছানোর আহ্বান জানান তিনি।

নিজ নির্বাচনী এলাকার ফলাফল প্রসঙ্গে তিনি জানান, ঘোষিত ফল অনুযায়ী সামান্য ভোটের ব্যবধানে তিনি পিছিয়ে থাকলেও ৬ হাজার ৫০০ ব্যালট বাতিল করা হয়েছে, যার বড় অংশই তার পক্ষে ছিল। অনেক ক্ষেত্রে ভাঁজ করার সময় কালি লেগে যাওয়া বা আঙুলের টিপের কালি ছড়িয়ে পড়াকে অজুহাত করে ভোট বাতিল করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমার জয়ের জন্য ১৪০০ ভোটই যথেষ্ট ছিল। বাতিল ব্যালটগুলো পুনরায় যাচাই করা হলে প্রকৃত ফল ভিন্ন হতে পারে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করা হয়েছে এবং ট্রাইব্যুনালে রিট দায়েরের প্রস্তুতি চলছে ।

তার দাবি, আমরা মিথ্যার কাছে পরাজিত হইনি, বরং নৈতিকতার জায়গায় বিজয়ী হয়েছি।

থানা আমির সৈয়দ হাসান মাহমুদ টিটোর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা সেক্রেটারি মুন্সী মিজানুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মুন্সী মঈনুল ইসলাম, অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস ও এ টি এম গাউসুল আযম হাদি, শেখ সিরাজুল ইসলাম, হাফেজ আমিনুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্লা, মোস্তফা আল মুজাহিদ, মুহাম্মদ আশরাফুল আলম, গাজী মোর্শেদ মামুন, অ্যাডভোকেট শেখ জাকিরুল ইসলাম, মাওলানা আবুল বাশার, মোজাম্মেল হক, ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার আব্দুস সহীদ, ইঞ্জিনিয়ার শেখ রেজাউল হক প্রমুখ।