লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, ‘আমরা ক্ষমতায় গেলে কারো ব্যক্তিগত বা ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করব না। বরং সবাইকে নিজ নিজ ধর্ম পালন ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিতে কাজ করব।’
তিনি বলেন, ‘১২ তারিখ জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে দুর্নীতিবাজদের প্রত্যাখ্যান করবে।’
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ১১ দলীয় জোট আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
কর্নেল অলি বলেন, ‘আমি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতাদের একজন হলেও এখন দলের নতুন নেতৃত্ব তা অস্বীকার করছে। বিএনপি রাজনৈতিকভাবে দুর্বল ও দিকহীন হয়ে পড়েছে এবং তাদের হাতে দেশের ভবিষ্যৎ নিরাপদ নয়।’
তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন বিএনপির সাথে রাজনীতি করেছি। কিন্তু যখন বুঝলাম দলটি আর টিকে থাকতে পারবে না, তখনই সরে দাঁড়াই। এখন তারা ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, বন্দর দখল ও ব্যাংক লুটপাটই বাড়বে।’
সমাবেশে প্রধান বক্তা চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী বলেন, ‘আনোয়ারার সম্ভাবনা অনেক হলেও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। শিল্পকারখানা থাকলেও স্থানীয়দের কর্মসংস্থান কম, নারীদের জন্য পর্যাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই এবং যুবকদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অভাব রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘দাঁড়িপাল্লা বিজয়ী হলে কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও শিল্পখাতে বাস্তবভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হবে।’
জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য জুবায়েরুল আলম মানিক বলেন, ‘সংস্কারের নামে যারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, জনগণ তাদেরও প্রত্যাখ্যান করবে।’
দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামীর শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক মাওলানা ইসমাঈল হক্কানীর সভাপতিত্বে ও আনোয়ারা উপজেলা ও কর্ণফুলী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আবুল হাসান খোকা ও নুরউদ্দীন জাহাঙ্গীরের যৌথ সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগরের জামায়াতে ইসলামীর আমির নজরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য অধ্যাপক জাফর সাদেক, নেজামে ইসলামীর চট্টগ্রাম মহানগরের আমির মাওলানা জিয়াউল হুসেইন জিয়া, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার খেলাফত মজলিসের আমির হাফেজ মাহবুবুর রহমান হানিফ, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সভাপতি জুনু মিয়া, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় শিক্ষা সম্পাদক মুহাম্মদ ইব্রাহিম, চট্টগ্রাম পশ্চিম জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আব্দুর রহিম, খেলাফতে মজলিস আনোয়ারা উপজেলার সভাপতি মাওলানা মুফতি ইমরান ইসলামাবাদী, জামায়াতে ইসলামী আনোয়ারা উপজেলার সহকারী সেক্রেটারি নাছির উদ্দিন শাহ্সহ ১১দলীয় জোটের জেলা-উপজেলার নেতৃবৃন্দ।



