ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে মেহেরপুর জেলা প্রশাসন।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ছাদ বাগানে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের সাথে মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. সৈয়দ এনামুল কবীর এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘মেহেরপুরের দু’টি আসনে ২১৩টি কেন্দ্র ও দু’টি পোস্টাল ভোটকেন্দ্রসহ ২১৫টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হবে। প্রার্থী ও সকলের সহযোগীতায় এ জেলায় সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এখন পর্যন্ত ভোটের আগে যে ধরণের অপরাধ ও আশঙ্কা থাকে তার কিছুই দেখা যায়নি। তাই আমরা মনে করি সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে পারবো।’
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার ড. সৈয়দ এনামুল কবির। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়, সেনাবাহিনী লেফটেন্যান্ট কর্ণেল হাসান মাহমুদ সৌরভ, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো: এনামুল হক।
সভাপতির বক্তব্যে রিটার্নিং অফিসার ড. সৈয়দ এনামুল কবির বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মেহেরপুর জেলায় নির্বাচনী নিরাপত্তায় বিজিবির নয়টি প্লাটুন, র্যাবের চারটি প্লাটুন, ২৫০ জন সেনা সদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়া ২৫টি মোবাইল টিম, ১০টি স্ট্রাইকিং ফোর্স ও হেল্পলাইন ৯৯৯ সার্বক্ষণিক সক্রিয় থাকবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় সর্বদা প্রস্তুত থাকবে।’
পুলিশ সুপার উজ্জল কুমার রায় বলেন, ‘আমরা অতিগুরত্বপূর্ণ (ঝুকিপূর্ণ) হিসেবে দু’টি আসনে ২৭টি সেন্টারকে চিহ্নিত করেছি। এই ২৭টি সেন্টারে বডি অন ক্যামেরাসহ পুলিশ কর্মকর্তা থাকবে। এছাড়া সকল সেন্টারে যাতে সুষ্ঠভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয় সেভাবে আমরা সজাগ আছি।’
এদিকে, সকাল থেকে বিভিন্ন সেন্টারে ব্যালটবাক্স, অমোছনীয় কালীসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম সরবরাহ শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।



