মুন্সীগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণায় অস্ত্র নিয়ে হামলা

শনিবার সকালে ফুটবল প্রতীকের সমর্থক জেলা বিএনপির সদস্য আতাউর রহমান মল্লিকের লোকজন মুন্সিকান্দি এলাকায় ভোট চাইতে যান। এ সময় স্থানীয় বিএনপি নেতা উজির আলী ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আওলাদ হোসেন মোল্লার লোকজন ককটেল নিয়ে অতর্কিত হামলা করেন। এতে মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। দু’ পক্ষের মধ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ও দফায় দফায় গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে।

অনলাইন প্রতিবেদক
অস্ত্র নিয়ে মহড়া
অস্ত্র নিয়ে মহড়া |সংগৃহীত

মুন্সীগঞ্জ-৩ (সদর ও গজারিয়া) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণায় প্রকাশ্যে অস্ত্র ও ককটেল নিয়ে হামলা চালিয়েছে বিএনপি প্রার্থীর কর্মীরা। এ সময় তিনজন গুলিবিদ্ধসহ মোট ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের মুন্সিকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধরা হলেন— ফয়সাল (২২), নিরব (১৩) ও ইকরাম (১০)। এছাড়া গুরুতর আহত দু’জন হলেন— লিজন সরকার ও মনির হোসেন।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকালে ফুটবল প্রতীকের সমর্থক জেলা বিএনপির সদস্য আতাউর রহমান মল্লিকের লোকজন মুন্সিকান্দি এলাকায় ভোট চাইতে যান। এ সময় স্থানীয় বিএনপি নেতা উজির আলী ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আওলাদ হোসেন মোল্লার লোকজন ককটেল নিয়ে অতর্কিত হামলা করেন। এতে মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। দু’ পক্ষের মধ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ও দফায় দফায় গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ সময় ধারালো ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে মহড়া দিতে দেখা যায়।

এ ঘটনায় সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে আওলাদ পক্ষের লোকজনকে একাধিক অস্ত্র নিয়ে অবস্থান করতে দেখা যায়।

এদিকে আহতদের মধ্যে লিজন সরকার ও মনির হোসেন নামে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়। এরপর প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মমিনুল ইসলাম বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ওই দু’ পক্ষের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ ছিল। এখন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সেই বিরোধই সংঘর্ষের বর্হিপ্রকাশ ঘটায়।

তিনি আরো বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আমি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনাস্থলে অবস্থান করছি।