ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি সংসদীয় আসনেই বাজিমাত করেছে বিএনপি। সাতটি আসনের সাতটিতেই ধানের শীষের প্রার্থীরা নিরস্কুশ বিজয় অর্জন করেছেন।
এর মধ্যে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সদর আসনের ১৫১টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণার পর দেখা যায়, তারেক রহমান পেয়েছেন দুই লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা মো: আবিদুর রহমান সোহেল পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট। এখানে তারেক রহমান সোহেলের চেয়ে এক লাখ ১৮ হাজার ৬৫৮ ভোটে এগিয়ে আছেন।
এছাড়া জেলার অপর ছয়টি সংসদীয় আসনের সবকটিতেই বিএনপির প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। ভোট গণনা শেষে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে এ ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো: তৌফিকুর রহমান।
বেসরকারিভাবে বিএনপির নবনির্বাচিত এমপিরা হলেন— বগুড়া-১ আসনে কাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া-২ আসনে মীর শাহে আলম, বগুড়া-৩ আসনে আব্দুল মহিত তালুকদার, বগুড়া-৪ আসনে মোশারফ হোসেন, বগুড়া-৫ আসনে গোলাম মোহাম্মাদ সিরাজ, বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও বগুড়া-৭ আসনে মোর্শেদ মিল্টন।
ফলাফল— বগুড়া-১ আসনে কাজী রফিকুল ইসলাম পেয়েছেন এক লাখ ৭১ হাজার ৪৪০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো: শাহাবুদ্দিন পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৯৫১ ভোট।
বগুড়া-২ আসনে বিজয়ী বিএনপির মীর শাহে আলম পেয়েছেন এক লাখ ৪৫ হাজার ৪২৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৫৪৮ ভোট।
বগুড়া-৩ আসনে বিএনপির আব্দুল মহিত তালুকদার পেয়েছেন এক লাখ ২৭ হাজার ৫০২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের নূর মোহাম্মাদ পেয়েছেন এক লাখ ১২ হাজার ২৬ ভোট।
বগুড়া-৪ আসনে বিএনপির মোশারফ হোসেন পেয়েছেন এক লাখ ৫৫ হাজার ৩৩৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ পেয়েছেন এক লাখ আট হাজার ৯৭৮ভোট।
বগুড়া-৫ আসনে বিএনপির গোলাম মোহাম্মাদ সিরাজ পেয়েছেন দুই লাখ ৪৮ হাজার ৮৪১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের দবিবুর রহমান পেয়েছেন এক লাখ ৪৩ হাজার ৩২৯ ভোট।
বগুড়া-৭ আসনে বিএনপির মোর্শেদ মিল্টন পেয়েছেন দুই লাখ ৬২ হাজার ৫০১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের গোলাম রব্বানী পেয়েছেন এক লাখ ১৫ হাজার ১৮৪ ভোট।
জেলায় ভোট প্রদানের গড় হার প্রায় ৮০ শতাংশ।



