বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের নবনির্বাচিত এমপি মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘শুধু জামায়াতে ইসলামীর লোক আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেনি; দল-মত নির্বিশেষে কামার-কুমার, জেলে, ডাক্তার, শিক্ষক, শ্রমিক, দিনমজুর— উল্লাপাড়ার সর্বস্তরের মানুষ আমাকে জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি উল্লাপাড়াবাসীর এমপি। উল্লাপাড়ার মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘব ও উন্নয়নের জন্যই আমি কাজ করব।’
তিনি বলেন, ‘জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে এলাকার উন্নয়নে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) উল্লাপাড়া উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘নির্বাচনের আগে ঘোষিত ইশতেহার বাস্তবায়নের মাধ্যমেই উল্লাপাড়ার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। উল্লাপাড়ার উন্নয়নের জন্য আমি যে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছি, তার আলোকে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কালভার্টসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো আপনাদের সাথে নিয়েই সম্পন্ন করতে চাই। এই কাজ আপনাদেরও করতে হবে।’
নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান অভিযোগ করেন, ‘দেশের বেশিরভাগ আসনে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর মাধ্যমে জামায়াতের প্রার্থীদের পরাজিত করা হয়েছে। বাংলার মানুষ মন খুলে জামায়াতকে ভোট দিয়েছে; কিন্তু ফলাফল ঘোষণার সময় ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে। প্রথমদিকে নিরপেক্ষ পরিবেশ থাকলেও রাত গভীর হওয়ার সাথে সাথে ফলাফল পরিবর্তন হয়ে যায়।’
উপজেলা জামায়াতের আমির ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক শাহজাহান আলীর সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মাওলানা রফিকুল ইসলাম খানকে ফুলের তোড়া দিয়ে অভিনন্দন জানান।
এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা শাহীনুর আলাম, জেলা সেক্রেটারি মো: জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো: খাইরুল ইসলাম, উপজেলা নায়েবে আমির ডা: নজরুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি আলাউদ্দিন আল আজাদ, উপজেলা দফতর সম্পাদক আ: বারী, উপজেলা প্রচার সম্পাদক আশরাফুল আলম মুত্তালিবসহ জামায়াতের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।



