ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন সাতজন প্রার্থী। তার মাঝে পাঁচজনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, মোট প্রদত্ত বৈধ ভোটের ১২ দশমিক ৫ শতাংশ বা এক অষ্টমাংশের কম ভোট পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এ আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে দুই লাখ ২৩ হাজার ১৬৭টি। সেই হিসেবে জামানত রক্ষার জন্য একজন প্রার্থীর ন্যূনতম প্রয়োজন ছিল ২৭ হাজার ৮৯৫ ভোট।
১২ ফেব্রুয়ারি রাতে সহকারী রিটার্নিং অফিসার এ টি এম কামরুল ইসলাম ফলাফল ঘোষণা করেন। সহকারী রিটার্নিং অফিসার স্বাক্ষরিত ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন- ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের (চেয়ার) মো: আল আমিন দেওয়ান, জনতার দলের (কলম) মো: আজম খান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (হাতপাখা) গাজী আতাউর রহমান, গণফোরামের (উদীয়মান সূর্য) মো: কাজল ভূঁইয়া, জাতীয় পার্টির (লাঙ্গল) ডা: মো: সফিউদ্দিন সরকার।
এ সব প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী সংসদীয় আসনে সংগৃহীত বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগ বা কমপক্ষে সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট অর্জন করতে না পারায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
কালীগঞ্জ উপজেলার একটি পৌরসভা, সাতটি ইউনিয়ন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের পুবাইল ইউনিয়নের ৪০, ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ড এবং গাজীপুর সদর উপজেলার বাড়িয়া ইউনিয়ন নিয়ে গাজীপুর-৫ আসন গঠিত।



