বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে হুমায়রা নামে ১০ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৩টার দিকে হাসপাতালের হাম রোগীদের জন্য নির্ধারিত আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়।
এছাড়া জেলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে অর্ধশতাধিক হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এর মধ্যে শিশুর সংখ্যা বেশি।
শজিমেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহত শিশু হুমায়রা বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বাসিন্দা। গতকাল মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) হামের উপসর্গ নিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
শজিমেক হাসপাতালের উপপরিচালক ও মুখপাত্র ডা: মো: মনজুর-এ-মুর্শেদ শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, শিশুটির শরীরে হামের উপসর্গ ও র্যাশ ছিল। ভর্তির পর তাকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছিল। সেখানেই বুধবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় শজিমেক হাসপাতালে হামের রোগীদের জন্য আলাদা একটি আইসোলেশন বিভাগ খোলা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে ১০টি শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ১৮টি শিশুর নমুনা পরীক্ষা করা হলেও কারো শরীরে হামের অস্তিত্ব (পজিটিভ) পাওয়া যায়নি।
মারা যাওয়া শিশুটির নমুনা পরীক্ষার বিষয়ে ডা: মনজুর-এ-মুর্শেদ বলেন, চিকিৎসকরা শিশুটির শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তার অভিভাবকরা অনুমতি না দেয়ায় নমুনা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। অভিভাবকদের সম্মতি ছাড়া নমুনা সংগ্রহের সুযোগ নেই। বর্তমানে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা শিশুদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।



