ফরিদপুর প্রতিনিধি ও বোয়ালমারী সংবাদদাতা
ফরিদপুরের বোয়ালমারীর পরমেশ্বরদীতে হামলার ঘটনা রাজনৈতিক নয়; বরং বাজারের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে আওয়ামী লীগের একজন ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফরিদপুর-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যাপক ড. মো: ইলিয়াস মোল্লা।
রোববার দুপুরে ঘটনাস্থলে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর পরিদর্শনের সময় তিনি একথা জানান।
এ সময় ড. ইলিয়াস মোল্লা বলেন, এটি কোনো রাজনৈতিক হামলা নয়। এই এলাকায় একজন চেয়ারম্যান ছিলেন আওয়ামী লীগের নেতা। তিনি বাজারের নিয়ন্ত্রণ নিতে লোকজন দিয়ে এ হামলা চালিয়েছেন। আমরা এর নিন্দা জানাচ্ছি। আমরা সকলকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য আহ্বান জানাই।
এ সময় তিনি পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের ময়েনদিয়া ও পরমেশ্বরদী গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ি পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সার্বিক খোঁজখবর ও সহায়তার আশ্বাস দেন।
এ সময় ফরিদপুর-১ আসনের নির্বাচনী সদস্য সচিব মাওলানা মো: শহিদুল ইসলাম, বোয়ালমারী উপজেলা জামায়াতের আমির হাফেজ মাওলানা বিল্লাল হোসাইন, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো: কামাল উদ্দিন, বোয়ালমারী পৌরসভা আমির মাওলানা সৈয়দ নিয়ামুল হাসান, পৌরসভা সেক্রেটারি হাফেজ মাওলানা সৈয়দ সাজ্জাদ আলী, পৌরসভা কর্মপরিষদ ও শূরা সদস্য মাওলানা মো: রফিকুল ইসলাম, পৌর যুব বিভাগের সভাপতি মুশফিকুর রহমানসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে বোয়ালমারীর পরমেশ্বরদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মান্নান মাতুব্বরের সমর্থকদের সাথে পার্শ্ববর্তী সালথা উপজেলার খারদিয়া গ্রামের মুশফিক বিল্লাহ জিহাদের সমর্থকদের সংঘর্ষে কয়েকটি বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। এ সময় মসজিদসহ বেশ কয়েকটি বাড়ি লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা ও ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এ ঘটনায় কমপক্ষে ২০ জন আহত হন। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।



