হোসেনপুরে কলেজছাত্র ইমন হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন

মানববন্ধন শেষে ইমন হত্যার আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলার প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে হাসপাতাল চৌরাস্তায় গিয়ে শেষ হয়।

Location :

Hossainpur
হোসেনপুর উপজেলা পরিষদের সামনে কলেজছাত্র ইমন হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়
হোসেনপুর উপজেলা পরিষদের সামনে কলেজছাত্র ইমন হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয় |নয়া দিগন্ত

হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের ছাত্র তরিকুল ইসলাম ইমন হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।

সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলা পরিষদের সামনে হোসেনপুর স্বর্ণ ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের ছাত্র-জনতার আয়োজনে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে ইমন হত্যার আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলার প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে হাসপাতাল চৌরাস্তায় গিয়ে শেষ হয়।

সমাবেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য ও বিএনপি নেতা মাসুদ আলম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু বকর সিদ্দিক, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মানসুরুল হক রবিন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. সাফায়াত হোসেন সম্রাট, সাবেক চেয়ারম্যান ও যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শফিকুল ইসলাম হিমেল, ইসলামী আন্দোলন হোসেনপুর শাখার আমির মাওলানা কারিমুল্লাহ, এসএম মিজানুর রহমান মামুন, পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব রিমন মিয়া, হোসেনপুর বাজার স্বর্ণ ব্যবসায়ী নেতা মো. সিরাজুল ইসলাম, নিহত ইমনের পিতা মাসুদ মীর, বোন তাহমিনা আক্তার তন্নী, চাচাতো বোন মারিয়া প্রমুখ।

বক্তারা দ্রুত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। তারা বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তার করা না হলে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ১৬ মার্চ রাতে হোসেনপুর বাজার এলাকার বাসিন্দা ও স্বর্ণ ব্যবসায়ী মাসুদ মীরের একমাত্র ছেলে এইচএসসি পরীক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম ইমন নিখোঁজ হন। পরদিন ১৭ মার্চ ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানা এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের খুরশিদ মহল সেতুর নিচে তার গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহতের পিতা পাগলা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তবে ঘটনার ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন ও আসামি গ্রেফতারে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।