রমজানকে সামনে রেখে দুর্গাপুরে নিত্যপণ্যের দামে আগুন, চাপে সাধারণ ক্রেতারা

পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও ইফতার সামগ্রীর দাম হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। এতে চাপে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা।

দুর্গাপুর (রাজশাহী) সংবাদদাতা

Location :

Durgapur
রমজানকে সামনে রেখে দুর্গাপুরে নিত্যপণ্যের দামে আগুন, চাপে সাধারণ ক্রেতা
রমজানকে সামনে রেখে দুর্গাপুরে নিত্যপণ্যের দামে আগুন, চাপে সাধারণ ক্রেতা |নয়া দিগন্ত

পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও ইফতার সামগ্রীর দাম হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। এতে চাপে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে আলীপুর, কানপাড়া ও দুর্গাপুর বাজার ঘুরে দেখা যায়, কয়েক দিনের ব্যবধানে বেশ কিছু পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। পেঁয়াজ ৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ৫০ টাকা, রসুন ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকা, আদা ১২০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা, ছোলা ৯০ থেকে ১০০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৮০ থেকে ১৬০ এবং বেগুন ৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অপরদিকে ইফতার সামগ্রীর দামেও ঊর্ধ্বগতি লক্ষ করা গেছে। সবুজ ও কালো আঙ্গুর প্রতি কেজি ৪৫০ থেকে ৪৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা দুই দিন আগেও ছিল প্রায় ২৮০ টাকা। বেদানা ৪৮০ টাকা, উন্নতমানের খেজুর ১৮০০০ থেকে ২০০০ টাকা এবং বড়ই খেজুর ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতাদের অভিযোগ, রমজান এলেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অতিরিক্ত মুনাফা আদায়ের চেষ্টা করেন। বাজারে প্রশাসনিক নজরদারি না থাকায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে বলেও তারা মনে করছেন।

এদিকে বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নেতারা জানিয়েছেন, দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে তারা ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা করেছেন।

আলীপুর বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো: রকেট হোসেন বলেন, ‘আমরা ব্যবসায়ীদের ন্যায্য মূল্যে পণ্য বিক্রির জন্য সচেতন করেছি। প্রশাসনের কাছেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানাবো।’

আলীপুর বাজারের এক মুদি দোকানি বলেন, ‘রমজান এলেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ী দাম বাড়ানোর চেষ্টা করে। আমরা পাইকারি বাজারে বেশি দামে কিনতে বাধ্য হওয়ায় খুচরা পর্যায়েও বেশি দামে বিক্রি করছি। নিয়মিত বাজার মনিটরিং করলে এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।’

কানপাড়া বাজারের ফল ব্যবসায়ী এশরাফ হোসেন জানান, ‘বিদেশি ফলের আমদানি খরচ বেড়েছে। তাই বেশি দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।’

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লায়লা নূর তানজুর সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।