ফেনীতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে শহরের দারুল ইসলাম সোসাইটি মিলনায়তনে ফেনী শহর শাখা জামায়াতের উদ্যোগে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শহর আমির ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সহকারী সেক্রেটারি মিজানুর রহমানের পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া ও প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা আমির মুফতি আবদুল হান্নান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের জেলা সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুহাম্মদ ইলিয়াছ ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ফেনী শহর সভাপতি হাফেজ মাজহারুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন, আমরা যেন লোভের কাছে মাথানত না করি। গোলামির মানসিকতা দূর করতে হবে। আগামীতে সর্বক্ষেত্রে মুসলমানরা নেতৃত্ব দেবে, এজন্য সাহসী মানুষ চাই। একাত্তর সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও স্বাধীনতা এখন চরম হুমকির সম্মুখিন। স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন। গোলামীর মানসিকতা দূর করে স্বাধীনতা রক্ষায় আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ১৫ বছরে এভাবে মন খুলে কথা বলতে দেয়া হয়নি। জুজুর ভয়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কথা বলাই স্বাধীনতা।
প্রধান বক্তা মুফতি আবদুল হান্নান বলেন, সাম্রাজ্যবাদ, আধিপত্যবাদ জাতির ঘাড়ে চেপে বসলে দেশপ্রেমিক ইসলাম প্রিয় সাধারণ জনগণ রূখে দাঁড়াবে। মানুষ একাত্তরের স্বাধীনতার সুফল ভোগ করতে পারেনি। এ কারণেই চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান সংগঠিত হয়েছে। দেশের মানুষ জুলাই সনদ বাস্তবায়নে হ্যাঁ ভোট দিয়েছে। বর্তমান সরকার হ্যাঁ ভোট বাতিলের জন্য সংসদে প্রস্তাব আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জুলাই সনদের ভিত্তিতে রাষ্ট্রের যে সংস্কার তা অবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে সংসদের বাহিরে রাজপথেও জামায়াত প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
সভাপতির বক্তব্যে শহর আমির ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ ৫৫ বছর পেরিয়ে ৫৬ বছরে পা দিয়েছি। নয় মাস সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশ নামক মানচিত্র তৈরি হয়। যারা দেশের জন্য যুদ্ধ করে শাহাদাত বরণ করেছে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। রণাঙ্গনের সেই সব বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।



